আটাকল থেকে পাঁচতলা বিলাসবহুল হোটেলের মালিক! কলকাতার ওই হোটেলেও তল্লাশি ইডির
শনিবার কলকাতার সল্টলেকের হোটেলেও তল্লাশি অভিযান ইডির। এদিন সকাল থেকেই উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই তল্লাশি অভিযানের সূত্র ধরেই কলকাতায় হানা। এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে শনিবার রীতিমতো তল্লাশি অভিযানেই চলছে৷
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ও বারাসতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চালকল ও আটাকলে হানা দেওয়া হয়। নদিয়ার রাণাঘাটের বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। বনগাঁর কালুপুরের একটি আটাকলে হানা দেয় ইডি আধিকারিকরা। এরপর আটাকলের দুই মালিক মন্টু সাহা ও কালীদাস সাহার বাড়িতেও হানা দেয় ইডি।

এই খবর লেখার সময় সব কটি জায়গাতেই তল্লাশি অভিযান চলছে। দুই ব্যক্তির বাড়িতে নথিপত্র ঘাঁটার সময়ই একটি হোটেলের কথা জানা যায়। এই দুই ব্যক্তি আবার কলকাতার সেক্টর ফাইভ এলাকার হোটেলের মালিক। এরপর সেই হোটেলে হানা দেন ইডির আধিকারিকদের অন্য একটি দল।
সেক্টর ফাইভের এই হোটেলটি বহুতল, বিলাসবহুল, আধুনিকতায় মোড়া। হোটেলটির নাম রাধাকৃষ্ণ হোটেল প্রাইভেট লিমিটেড। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে ওই হোটেলেও তল্লাশি অভিযান চলছে। হোটেলের শাটার নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কাউকেই ওই হোটেল থেকে ঢুকতে, বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। ইডির আধিকারিকরা কাগজপত্র দেখছেন। প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। চালকল আটাকলের মালিকদের এমন বিলাসবহুল হোটেল হল কীভাবে? স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ইডির তদন্তকারীরা মনে করছেন, ওই আটাকলে রেশনের গম যেত। গম ভাঙিয়ে আটা বার হয়ে যেত। সেই আটা বাইরে বিক্রির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হত। বাকিবুর রহমানের সঙ্গে এই দুই ব্যবসায়ীর যোগ কতটা। তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সেক্টর ফাইভের এই হোটেলটির ডিরেক্টর পদে আছেন মূলত তিন জন। কালীদাস সাহা, মন্টু সাহা, মনোতোষ সাহা। ২০২১ সালে এই হোটেলটির মালিকানায় হাতবদল হয়েছিল। রেশন বণ্টন দুর্নীতির টাকাতেই কি এই পাঁচতলা হোটেল নেওয়া হয়েছে? প্রশ্ন উঠছে।
হোটেলের কাগজপত্র খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্পূর্ণ কবে কত টাকার লেনদেন হয়েছে, নগদে কত টাকার লেনদেন? সেইসব জিনিস দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications