মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে প্রতিবাদ? বড়দিনে চার চাকরি প্রার্থীর জামিন মঞ্জুর আলিপুর আদালতে
চাকরি চাইতে গিয়ে জেলে যেতে হয়েছিল। বড়দিনের দিন স্বস্তি মিলল আদালতে। জামিন পেলেন ধৃতরা। আলিপুর আদালতে বাকি চার জনেরও জামিন মঞ্জুর হল৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির এলাকায় চলে গিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা।
হকের চাকরি জন্য ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়েছিলেন। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছে সম্প্রতি পৌঁছে গিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা৷ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। টেনেহিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার অভিযোগও আছে। আপার প্রাইমারির চাকরি প্রার্থীদের লকআপে রাখার অভিযোগ ওঠে।

মোট ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর আগে ৫৫ জন জামিন পেয়েছিলেন। চার জন পুরুষকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। আজ বড়দিনের দিন ওই চারজনেরও জামিন মঞ্জুর হল। তবে তার আগে জেলে চারটে দিন কাটাতে হল আপার প্রাইমারির পুরুষ চাকরি প্রার্থীদের।
গত শুক্রবার কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকায় পৌঁছে গিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। ২০০ মিটারের মধ্যে কয়েক জন পৌঁছে যায়। এরপরেই তাদের গ্রেফতার করা হয়। জামিন অযোগ্য ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেয় পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি হাই সিকিউরিটি জোন। সেই আইন ভেঙেছেন তারা। এই অভিযোগ পুলিশের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল।
চাকরি প্রার্থীদের তরফে জানানো হয়েছিল নিরাপত্তা ভাঙার কোনও উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। চাকরি চাইতে গিয়ে জেলে থাকতে হবে? এই প্রশ্নও উঠেছিল। লকআপে পুলিশ তাদের মেরেছে। এমন অভিযোগও উঠছিল।
গত দিন শনিবার ৫৫ জন মহিলা চাকরি প্রার্থীর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল আদালত। তবে চারজনকে ফের দুই দিনের জেল হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। আজ সোমবার আলিপুর আদালতে ওই চার জনকে পেশ করা হয়। পুলিশের তরফ থেকে ধৃতদের আরও ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করা হয়েছিল।
জেলে গিয়ে জেরা করার কোনও আবেদন পুলিশের নেই। তাই ওই চারজনের জামিন চাওয়া হয় আদালতে।বিভিন্ন স্কুলে শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। ইন্টারভিউয়ের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েছিল। মূলত এটা মহিলা চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন ছিল। যে চার জন জেলে, তাদের দু'জনকে চায়ের দোকান থেকে তুলে নিয়ে এসেছে পুলিশ। এমন দাবিও করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির এলাকার নিরাপত্তা ভাঙার কোনও বিষয় ছিল না। কিছুই রিকভারি হয়নি নতুন করে।আগের দিন ৫৫ জন জামিন পেয়েছেন। তাহলে এদের চার জনের কেন জামিন হবে না? এমন দাবি ধৃতদের আইনজীবীর পক্ষ থেকে করা হয়। যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করা হয়।
অবশেষে ২০০০ টাকা জরিমানায় বেল বন্ড হয়। চার জনের জামিনই মঞ্জুর করেছে আলিপুর আদালত।জামিন পাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন চাকরি প্রার্থীরা। আদালত থেকে বেরনোর সময় তাদের বরণ করে নেওয়া হয় এদিন।












Click it and Unblock the Notifications