Doctor Protest: কাজে ফিরলেন চিকিৎসকরা, স্বাস্থ্য ভবনের সামনে মোছা হল 'প্রতিবাদের ভাষা'
RG Kar Hospital Doctor Protest: পূর্ব ঘোষণা মতোই কাজে ফিরলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। জরুরি পরিষেবায় কাজে যোগ দিতে শুরু করেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিতে ফের একবার কর্মব্যস্ততা ধরা পড়ছে শনিবার সকাল থেকে। এমনকি আন্দোলনের কার্যত আতুড়ঘর আরজি কর হাসপাতালেও সকাল থেকে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা কাজে যোগ দিয়েছেন।
অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিন রোগীর সংখ্যাও তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। অন্যান্য সময়ের মতো আজও যথেষ্ট দায়িত্ব নিয়ে গোটা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। রাজ্যের অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিতেও শনিবার সকাল থেকে একই ছবি ধরা পড়েছে (RG Kar Hospital Doctor Protest) ।

পাশাপাশি বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও কাজে যোগ দিয়েছেন 'আন্দোলনরত' জুনিয়র চিকিৎসকরা। ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচীর মাঝেই রাজ্য সরকারের তরফে 'আংশিক দাবি' মেনে নেওয়ায় ৪৩ দিনের মাথায় তাঁরা কাজে যোগ দিলেন (RG Kar Hospital Doctor Protest)।
এদিন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কাজে যোগ দেওয়া জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আমরা শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা ক্ষেত্রে কাজে যোগ দিচ্ছি। এক্ষুনি আউটডোর পরিষেবায় যোগ দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই। আগের মতো চিকিৎসক-অধ্যাপকরাই আউটডোর পরিষেবা চালু রাখবেন। এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের দাবি পূরণ হলে তবেই সব বিভাগে কাজে তাঁরা যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
কার্যত একই দাবি আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসক তথা আন্দোলনের অন্যতম মুখ আরিফ আহমেদের। তিনি জানিয়েছেন, আংশিক দাবি মানা হয়েছে। দাবি মানা না হলে ফের আন্দোলন হবে। তবে শনিবার সকাল থেকে যাদের ডিউটি ছিল তাঁরা হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে কাজ শুরু করেছেন। ইমার্জেন্সি বিভাগ পুরোদমে চলছে বলেও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে তমলুকের জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন, EMERGENCY ডিউটি ,SNCU,শিশু বিভাগ,OPD ডিউটি শুরু করেছেন। কাজ শুরু করলেও বিচারের দাবিতে তাদের আন্দোলন জারি থাকবে।
অন্যদিকে দীর্ঘ প্রায় ১০ দিন ধরে বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্য ভবনের সামনের রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে এদিন সকাল থেকে। স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল। তবে দীর্ঘ আন্দোলনে স্বাস্থ্যভবনের সামনের রাস্তা, দেওয়াল জুড়ে আঁকা হয়েছিল বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিতি, স্লোগান। কিন্তু সেগুলি সকাল থেকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে মুছে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রঙের প্রলেপ।
এমনকি স্বাস্থ্য ভবনের দেওয়ালে নতুন রঙ লাগানো হয়েছে। কেন এত তাড়াতাড়ি সব মুছে ফেলা হচ্ছে? প্রশ্ন নাগরিক সমাজের। বলে রাখা প্রয়োজন, গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে অভয়াকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এরপর থেকেই রাস্তায় ছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications