সিএএ যখন পাশ করানো হয়েছিল, তখন...! লালু-নীতীশকে নিশানায় প্রশান্ত কিশোরের মুখে বাংলার কথা
প্রতিশ্রুতি মতো নির্বাচনের আগে সিএএ-র রুলস জারি করেছে মোদী সরকার। সারা দেশ জুড়েই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে এদিন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জন সুরজের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর।
ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর এব্যাপারে ২০২১-এর বাংলায় ভোটে লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রসঙ্গত ২০১৯-এর শেষের দিকে সংসদে সিএএ পাশ করানোর পরে ২০২১-এর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন।

প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, যখন সিএএ ও এনআরসি এসেছিল এবং জনগণের ওপরে খাঁড়া ঝুলছিল, সেই সময় বাংলায় বিজেপিকে আটকেছিলেন তিনিই। তিনি প্রশ্ন করেছেন, বিহারের কোন সাহসী লোক বাংলায় সেই সময় যুদ্ধ করতে গিয়েছিল? লালু যাদব, তেজস্বী যাদব না নীতীশ কুমার?
জন সুরজের প্রতিষ্ঠাতা নিজেই উত্তর দিয়ে বলেছেন, সেউ যায়নি। ঘাড়ে বাতাস নিতে তারাই কাঁধ ধার দিতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, সেই সময় যদি বাংলায় বিজেপি জিতত, তাহলে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করত। কিন্তু তারা বিজেপিকে পরাজিত করেছিলেন। তিনি বলেছেন, যদি বেলুনে বাতার ভরে থানে, তাহলে তা বের করে নেওয়া হবে!
মঙ্গলবার প্রশান্ত কিশোর এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় তাদের সব শক্তি প্রয়োগ করেছিল, তবুও তারা জিততে পারেনি। সেক্ষেত্রে ত্রিশ বছর বিহারের মানুষ লালু-নীতীশদের সঙ্গে রয়েছেন, সেখানে মানুষ তিন বছর তাঁকে (প্রশান্ত কিশোর) বিশ্বাস করুক, সেই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ করে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, রাজনীতি নিয়ে মানুষের যদি কিছুটা বোধ থাকে, তাহলে তিনি একটা জিনিস পরিষ্কার করতে চান, এরা বিহারে জোট তৈরি করে জনগণকে ঠকাতে চাইছে।
বিহারে ভোট হয়েছিল ২০১৫ সালে। কিন্তু ২০১৭-তে এই লোকটি (নীতীশ কুমার) জনগণকে ঠকিয়ে পালিয়েছিল। সেক্ষেত্রে বিহারের মানুষ আবার ভোট দিলে এই লোকটি সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে পালিয়ে যাবে, এটা সবাই লিখে রাখতে পারেন। কেননা তাঁর চেয়ে নীতীশ কুমারকে ভাল কেউ চেনেন না।
প্রশান্ত কিশোর ইতিমধ্যেই বাংলার লোকসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য ফল নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপি আশ্চর্যজনক ফল করবে। একথা বলার জন্য তৃণমূলের লোকেরা যে তাঁকে বিজেপি দালাল বলবে, তা তিনি ভাল করেই জানেন বলেও মন্তব্য করেছেন। তবে নির্বাচনী কৌশলবিদ হিসেবে তাঁর একথা বলা কর্তব্য, তাই তিনি বলছেন বলে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications