অনুমোদন ছাড়াই চলছিল গুদাম? গাফিলতির অভিযোগে গ্রেফতার আনন্দপুর গুদামের মালিক, বাড়ল মৃতের সংখ্যা, নিখোঁজ একাধিক
আনন্দপুরের নাজিরাবাদে দুটি গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে। আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকেই উদ্ধারকার্য জোরদার ভাবে করা শুরু হয়েছে। তবে এখনও আরও একাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। তাঁদের খোঁজে গুদামের ভিতরে চলছে তল্লাশি। এই ঘটনায় ডেকরেটর্সের গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গাফিলতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রবিবার রাত প্রায় ৩টে নাগাদ দু'টি গুদামে আগুন লাগে। সোমবার পেরিয়ে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্তও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছিল না। ঘটনাস্থল থেকে গতকাল তিনটি পোড়া কঙ্কালসহ মোট আটটি ঝলসানো দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে চেনার উপায় নেই। মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
ডেকরেটর্সের গুদামের পাশেই একটি মোমো কোম্পানির গুদাম ছিল। সেটিও আগুনে পুড়ে যায়। ওই মোমো কোম্পানির মালিকদের বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত মোমো কোম্পানির কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
দমকলের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পুলিশের নিজ উদ্যোগে নরেন্দ্রপুর থানায় গাফিলতির জেরে মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। গতকাল রাতে গঙ্গাধর দাসকে গড়িয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাঁকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
দমকল বিভাগের ডিজি রণবীর কুমার জানিয়েছেন যে, ওই গুদামে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার কোনও বৈধ কাগজপত্র ছিল না। অনুমোদন ছাড়া কীভাবে এতদিন গুদাম চলছিল, তা নিয়ে তদন্ত করা হবে। কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে নানা রকমের প্রশ্ন।
অন্যদিকে আবার, গঙ্গাধরের দাবি যে, আগুন মোমো কারখানার গাফিলতি থেকেই লেগেছে। যদিও আগুনের প্রকৃত উৎস এখনও নিশ্চিত নয়। পুরো ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।












Click it and Unblock the Notifications