Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাটার পথে চলছে ব্রিটানিয়া! কলকাতার প্ল্যান্ট বন্ধ হওয়ায় নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , কী বলছে সরকার

ব্রিটানিয়া কলকাতার তারাতলা ইউনিটের সব স্থায়ী কর্মীদের ভিআরএস দিয়েছে। যা নিয়ে ওই প্ল্যান্ট বন্ধ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বাম আমলে ৩৪ বছরে একের পর এক কারখানা বন্ধের পরে তৃণমূল জমানায় কোনও কারখানা তৈরি না হলেও, ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিট বন্ধ হওয়ায় সরব অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে তীব্র সমালোচনার মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

তৃণমূলের গত বারো বছরের শাসনকালে অনেক কিছু বন্ধ হয়েছে, তবে রাজ্য থেকে এই সময়ের মধ্যে সব থেকে বড় ব্র্যান্ড টাটা মোটরস বিদায় নিয়েছিল বাম আমলের একেবারে শেষের দিকে। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদের জেরে নির্মীয়মাণ কারখানা গুটিয়ে নিয়েছিলেন রতন টাটা।

Mamata Banerjee

বাংলা না হলেও, কিছুটা বাঙালিত্ব মরে যায়
ব্রিটেনিয়ার তারাতলা ইউনিট বন্ধ হওয়া নিয়ে যাঁরা সরব হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন, দ্বিতীয় মোদী সরকারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা কাঞ্চন গুপ্ত। তিনি পুরনো দিনে বাংলা ও বাঙালিদের সঙ্গে যুক্ত থাকা বেশ কিছু পণ্যকে তালিকাভুক্ত করেছেন। সেগুলি হল কান্তা সেন্ট, জবাকুসুম তেল, আফগান স্নো ফেস ক্রিম, তুহিনা লোশন, দার্জিলিং চা, বেঙ্গল পটারিজ ডিনার সেট, ফিলিপস রেডিও, বোরেলিন, ও ব্রিটানিয়ে থিন অ্যারারুট। তিনি লিখেছেন, এর মধ্যে অধিকাংশই হারিয়ে গিয়েছে। আর থেকে যাওয়াদের মধ্যে ব্রিটানিয়া থিন অ্যারারুট ছিল। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে ওপরের লেখাগুলির সঙ্গে শিরোনাম দিয়েছেন, তার তর্জমা করলে দাঁড়ায়, টাটা মোটরস থেকে ব্রিটেনিয়া পর্যন্ত: বাংলা না হলে কিটু বাঙালিত্ব মরে যায়।

তিনি আরও বলেছেন, ১৯৬০-এর দশকে যখন বিভিন্ন কোম্পানি বাংলা ছেড়ে যেতে শুরু করে, সেই সময় স্বাধীন ভারতে সব থেকে শিল্পোন্নত রাজ্য ছিল বাংলা। এরপর ১৯৭০-এর দশকে হিংসা, তারপর দীর্ঘ তিন দশকের বাম শাসনে বাংলার শিল্প ও উদ্যোগের যা অবশিষ্ট ছিল, তাও টুকরো টুকরো হয়ে যায়। বাংলা থেকে বিদায় নেয় ডানলপ এবং বাটার মতো সংস্থাও।

কাঞ্চন গুপ্ত বলেছেন, ব্রিটানিয়া বলছে, তারাতলার কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হলেও, তা কোম্পানির কাজের ওপরে কোনও প্রভাব ফেলবে না। এর অর্থ হল ব্রিটানিয়ে কলকাতায় তার কাজ কমালেও আয় ঠিকই রাখবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার, তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এব্যাপারে কী বলেন, প্রশ্ন করেছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া এব্যাপারে সরব হয়েছেন বহু মানুষ। কেউ বলছেন ব্রিটানিয়ে বাটার পথেই যাচ্ছে। গত সত্তর বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্রিটানিয়া কলকাতা শহরের ল্যান্ডমার্ক হয়ে আছে, বলছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, বাংলার শিল্পগুলি ক্রমশ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা একটা উদ্বেগজনক প্রবণতা। এর ফলে যেমন বেকারত্ব বিদ্ধি পাচ্ছে তেমনই অর্থনীতিতে স্থবিরতা আসছে বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।

সোমবার ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপির তরফে তৃণমূলের পাশাপাশি বামেদেরও নিশানা করা হয়। যদিও তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, ব্রিটানিয়ার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে তারাতলা ইউনিটটি বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্যের সামগ্রিক শিল্প পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিট বন্ধ হওয়ার বিষয়টি মিলিয়ে দেওয়া ঠিক নয়, বলছে রাজ্যের শাসক দল।

এদিকে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের অন্যতম বড় এমএমসিজি ব্র্যান্ডের রাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। তারা রাজ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান উপদেষ্টা অমিত মিত্র বলেছেন, ব্রিটানিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাঁকে জানানো হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে যা বলা হচ্ছে তা মিথ্যা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+