বর্ধমান কাণ্ডে ধৃত ৩ জঙ্গীর ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হেফাজত পেল এনআইএ

ধৃত জঙ্গীদের হেফাজত নেওয়ার পাশাপাশি যে জঙ্গী গুরুতর আহত হয়ে এসএসকেএম হাসরাতালে ভর্থি হয়েছিল, তার পুলিশি নিরাপত্তা আরও জোরদার করার আর্জি জানিয়েছিল এনআইএ। তাদের দাবি ছিল, এসএসকেএম-এ মতো জমজমাট হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি আহত জঙ্গীকে। তাই তদন্তের স্বার্থে জোরদার করা হোক নিরাপত্তা। সেই আর্জিও মঞ্জুর করেছে আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য বসানো হোক পুলিশ পিকেট। যাতে নিরাপত্তায় কোনও খামতি না থাকে। একইসঙ্গে আহত জঙ্গীর শারীরিক অবস্থার মেডিক্যাল রিপোর্ট আগামী ২২ তারিখের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
এদিকে আজ সকালেই মঙ্গলকোটের শিমুলিয়া মাদ্রায় তল্লাশি শুরু করেছে এনআইএ। সূত্রের খবর অনুযায়ী সেখান মিলেছে ৫ টি ফোননম্বর ও বাংলা এবং উর্দুতে লেখা বেশ কিছু নথি। শিমুলিয়াতেই ক্যাম্প অফিস করেছে তারা। ৩ টি দলে বিভক্ত হয়ে তদন্তেক কাজ করছে এনআইএ। সূত্রের তরফে এও জানানো হয়েছে বর্ধমান বিস্ফোরণস্থল থেকে লেড অ্যাজাইড উদ্ধার করেছে এনআইএ। এই রাসায়নিক বিস্ফোরককে আরও শক্তিশালী ও তীব্রতর করতে সাহায্য করে। আর তাতে বেশ উদ্বিগ্ন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দারের অনুমান হ্যান্ড সকেট বোমা তৈরি করছিল জঙ্গীরা। বড়সড় নাশকতার ছক ছিল জঙ্গীদের।
অন্যদিকে তদন্তকারীরা এও জানতে পেরেছে যে মৃত জঙ্গী শাকিলের প্রথম ঘাঁটি ছিল মেটিয়াবুরুজ। সেখানে কাপড় ব্যবসায়ী সেজে থাকতেন শাকিল। মেটিয়াবুরুজে বসেই শাকিল নাশকতার ছক কষত বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। একইসঙ্গে শুধু বর্ধমান নয়, এই মেটিয়াবুরুজের সূত্রে ধরে জাতীয় স্তরে বহু জঙ্গী পরিকল্পনার রহস্য সমাধান হতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।












Click it and Unblock the Notifications