Dilip Ghosh: “চাকরি-দুর্নীতির পাপ ঢাকতে উগ্রপন্থীদের রাস্তায় নামিয়েছেন মমতা,” মুর্শিদাবাদ নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ
Dilip Ghosh: মুর্শিদাবাদে হিংসার নেপথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরাসরি দায়ী করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। চাকরি বাতিল কাণ্ড থেকে নজর ঘোরাতে মুর্শিদাবাদে উগ্রপন্থীদের মমতাই নামিয়ে দিয়েছেন বলে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে 'অকর্মণ্য' বলেও আক্রমণ দিলীপের। রবিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে চাঁচাছোলা প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
এদিন দিলীপ বলেন, "রামনবমীতে ডিস্টার্ব করার জন্য বহু জায়গায় রাজ্য সরকার সমাজ বিরোধীদের নামিয়েছে। ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উল্টো হল। হিন্দুসমাজ রাস্তায় নেমেছে হাতিয়ার নিয়ে তার প্রতিকার করার জন্য। এখন শিক্ষা বিভাগে যে দুর্নীতি হয়েছে, সেই পাপকে চাপা দেওয়ার জন্য উগ্রপন্থীদেরকে রাস্তায় নামিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে মুর্শিদাবাদে।"

পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা দিলীপের। তিনি বলেন, "পুলিশ সরে গেছে, রাজ্য সরকার চুপ করে গেছে। বিএসএফ দুদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করছে। চারদিকে আগুন জ্বলছে মালদহ মুর্শিদাবাদে। কোর্টে যেতে হয়েছে আধাসেনার জন্য। এদিকে ডিজি গল্প শোনাবার চেষ্টা করছেন। লজ্জা করে না। উনি তাবেদারি করবেন কারণ জেল থেকে বাঁচিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। বাড়িতে ঢুকে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে। উগ্রপন্থীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।"
দিলীপের দাবি, যত নির্বাচন এগিয়ে আসবে তত এই দাপট বাড়বে কারণ জঙ্গিদের ভোট পেয়ে মমতা ব্যানার্জি জিততে চান। তিনি আরও বলেন, "সিএএ হলে তিন দিন ধরে আগুন জ্বলল এ রাজ্যে। নবান্ন অভিযান করলে বলেছিল কপালে গুলি করতে হবে। পেছনে গুলি মারেন তাহলে মুর্শিদাবাদের উগ্রপন্থীদের। পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে মুর্শিদাবাদ। পুলিশে ব্যর্থতার কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হচ্ছে। প্রথম দিন নামানো উচিত ছিল। জেলা চলে গিয়েছে উগ্রপন্থীদের হাতে। ভয়ঙ্কর পরিবেশ। গোটা দেশে ওয়াকফ আইন লাগু হয়েছে। কোথাও সমস্যা নেই। সুযোগ পেলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝামেলা করেন।"
এসএসসির চাকরিহারাদের অবস্থান বিক্ষোভ নিয়েও এদিন শাসকদলকে আক্রমণ শানান দিলীপ ঘোষ। বলেন, "১৮ হাজার শিক্ষকের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এর জবাব দিতে হবে। আমরা চাকরি প্রার্থীদের পাশে আছি। সিপিএমের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচানোর জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। ঠিক যেমন সামনে দাঁড়িয়ে আরজি কর আন্দোলনকে মাঝপথে শেষ করে দিল। শিক্ষকদের আন্দোলনকে সিপিএম বিপথে চালিত করার চেষ্টা করছে মুখ্যমন্ত্রীকে সেফ গার্ড করার জন্য।"












Click it and Unblock the Notifications