ময়নাতদন্তে ছেলের দেহ, মা গেলেন ভোট দিতে! নিজেই জানালেন কারণ
অধীর চৌধুরীকে বিজয়ী দেখতে চান। তাই ছেলের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েও ভোট দিতে গেলেন বহরমপুরের শেখ পাড়ার বাসিন্দা রেণুকা মাড্ডি।
অধীর চৌধুরীকে বিজয়ী দেখতে চান। তাই ছেলের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েও ভোট দিতে গেলেন বহরমপুরের শেখ পাড়ার বাসিন্দা রেণুকা মাড্ডি। খবর পেয়ে সোজা রেণুকা মাড্ডির বাড়িতে পৌঁছে যান অধীর চৌধুরী। কথা বলেন মৃত যুবকের বাবা মা ও দুই ভাইয়ের সঙ্গে। মহিলার কাছে তিনি চির কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন বহরমপুরের বিদায়ী সাংসদ।

ভোট রাজনীতি বিরল দৃশ্য
নির্বাচন তাঁর কাছে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে. ছেলের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ভোট দিতে গেলেন বহরমপুরের শেখ পাড়ার বাসিন্দা রেণুকা মাড্ডি। এই দৃশ্য জেলার কেন, রাজ্যের ভোট রাজনীতির ইতিহাসে বিরল। সন্তান হারা মা জানালেন, যদি তাঁর একটা ভোটের জন্য অধীর চৌধুরী হেরে যান, তাই ছেলের মৃত্যুর পরেও ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি।

ছেলের অস্বাভাবিক মৃত্যু
সোমবার ছিল বহরমপুর লোকসভার নির্বাচন। বহরমপুরের শেখপাড়ার বাসিন্দা রেণুকা মাড্ডি নিজের অন্যতম ছেলে রজত মাড্ডিকে বাড়িতে রেখে শ্রীগুরু পাঠশালায় ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে লন্বা লাইন থাকায় ফিরে আসেন। বাড়িতে আসার পর ছেলের সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সাহায্যে ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে দেখেন, ছেলের ঝুলন্ত দেহ। রজতকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। দেহ পাঠিয়ে দেওয়ার ময়নাতদন্তের জন্য। স্থানীয় সূত্রে খবর প্রণয় ঘটিত কারণে মানসিক অবসাদ থেকে আত্মহত্যা করেন ওই তরুণ।

ফের ভোট কেন্দ্রে রেণুকা মাড্ডি
এই পরিস্থিতিতে ফের ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে যান রেণুকা। সোজা কথায় বলা যেতে পারে অধীর চৌধুরীর টানেই। সেখানে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারকে অনুরোধ তাড়াতাড়ি ভোটের ব্যবস্থার জন্য। ভোট দিয়েই ফের হাসপাতালে যান ওই মহিলা।

ভগবানের আশীর্বাদ, বললে অধীর
খবর পেয়ে মঙ্গলবার রেণুকা মাড্ডির বাড়িতে পৌঁছে যান অধীর চৌধুরী। মৃত যুবকের বাবা-মা-ভাইদের সমবেদনা জানান অধীর। বলেন, সন্তান হারানোর যন্ত্রণা তিনি ভালই বোঝেন। কিন্তু যে মা সন্তান হারিয়েও তাঁকে ভোট দিতে ছুটে যান, তাঁর কাছে তিনি চির কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন অধীর। জনপ্রতিনিধি হয়ে তাঁর জীবনে বিরল সম্মান বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বিষয়টিতে ভগবানের আশীর্বাদ বলেও মনে করছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications