Jhantu Ali Shaikh: ভারতীয় সেনা ২৬ পর্যটক খুনের বদলা নেবে! শহিদ ভাইকে স্যালুট জানিয়ে 'অঙ্গীকার' দাদার
Jhantu Ali Shaikh: শেষবারের জন্য নদিয়ার তেহট্টের বাড়িতে ফিরলেন ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো ঝন্টু আলি শেখ। তবে এবার আর পা'য়ে হেঁটে নয়, ফিরলেন সহকর্মীদের কাঁধে কফিনে করে। পহেলগাঁওর হামলাকারী (Pahalgam Terror Attack) জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাতে গিয়ে শহিদ হন ঝন্টু। শুক্রবার রাতেই কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছয় তাঁর কফিনবন্দি নিথর দেহ। সেখানে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এরপর আজ শনিবার সকালে বারাকপুরের সেনা ছাউনিতে ঝন্টু আলি শেখকে (Jhantu Ali Shaikh) শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। দেওয়া হয় গার্ড অফ অনার। এরপর সেখান থেকে সেনার বিশেষ গাড়িতে শহিদের দেহ তেহট্টের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় চিরঘুমে চলে যাওয়া এই বীর জওয়ানের গ্রাম।

একেবারে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছ। এদিন সকাল থেকে গোটা এলাকা ভারতের জাতীয় পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়। গোটা গ্রাম তাঁদের ছেলেকে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় জমান। আগে থেকেই সেখানকার একটি মাঠে বিশেষ মঞ্চ তৈরি করা হয়।
সেই মঞ্চেই রাখা হয় স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো ঝন্টু আলি শেখের নিথর দেহ। দেহ আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। ঝন্টু'র দাদাও দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সেনার হয়ে কাশ্মীরে পোস্টিং রয়েছেন। আজ তিনিও চলে এসেছেন। জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনা ২৬ পর্যটকের মৃত্যুর বদলা নেবে। ভাই বদলা নিতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। কিন্তু ভারতীয় সেনাবাহিনী নেবে বলেই হুঁশিয়ারি শহিদের দাদার।
অন্যদিকে শহিদ কমান্ডো ঝন্টু আলি শেখের দেহ গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। বিশেষ করে স্বামী যে নেই তা এখনও ভাবতেও পারছেন না শহিদের স্ত্রী। স্বামীর কফিনবন্দি দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে চোখে ঘুম নেই। স্মৃতি আগল্কে কখনও চোখের জলে মুর্ছা যাচ্ছেন আবার কখনও বিলাপ করছেন, আবার কখনও উঠছেন গর্জে। যে বা যারা তাঁর স্বামীকে মারল তাদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। আজ শনিবার সেই বক্তব্যেই শোনা গেল শহিদের স্ত্রীয়ের বক্তব্যে।












Click it and Unblock the Notifications