আম্ফানে বিধ্বস্ত পশ্চিম মেদিনীপুর, মমতার নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ানোর আবেদন মানস ভুঁইঞার
আম্ফানের দাপটে বিধ্বস্ত গোটা দক্ষিণবঙ্গ৷ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও কলকাতায় সবথেকে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান৷ গতকাল দুপুর আড়াইটের পর সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়টি৷ কলকাতার উপর দিয়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি বেগে বয়ে যায় তা৷ আম্ফানের প্রভাবে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ১৩৷ ৩০০-র বেশি গাছ উপড়ে পড়েছে৷ কয়েক হাজার কাঁচাবাড়ি ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

মানস ভুইঞার আবেদন
এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যসভার সাংসদ তথা সবংয়ের প্রাক্তন বিধায়ক মানস ভুইঞা এদিন টুইট করে পশ্চিম মেদিনীপুরের পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, 'এই বিধ্বংসী আম্ফানের জেরে সব বাড়ি, গাছ, ইলেক্ট্রিক পোস্ট, জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেকে মারাও গিয়েছেন। সবং, বিংলা, দাঁতন, মোহনপুর খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমাদের এখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে।'

ধ্বংসের সম্মুখীন দক্ষিণবঙ্গ
গতকাল দুপুর আড়াইটের পর সাগরদ্বীপের কাছে আছড়ে পড়ে এই ঘূর্ণিঝড়৷ সেইসময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার৷ বিকেল পাঁচটা নাগাদ কলকাতার উপর দিয়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়৷ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে আমফানের দাপটে৷ উত্তর ২৪ পরগনায় দু'জনের মৃত্যু হয়েছে৷ পূর্ব মেদিনীপুরে ভূপতিনগর থানার মুখবেড়িয়া গ্রামের ছবি শিটের মৃত্যু হয়েছে৷ ঝড়ের সময় তাঁর বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়ে৷ তাঁর ছেলেও আহত হয়েছেন৷

হলদিয়া, হুগলি, হাওড়াতে মৃত একাধিক
হলদিয়ার সুতাহাটা থানার অন্তর্গত মহম্মদপুর গ্রামে বাড়ির উপর গাছ পড়ে মৃত দুই ভাই৷ মৃতদের নাম রঞ্জিত সিং (১৮), প্রসেনজিৎ সিং (১৬)৷ ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে হাওড়া, হুগলিতে৷ হুগলিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে৷ হাওড়ায় ১ ব্যক্তি মারা গেছেন৷

কলকাতায় তিন ব্যক্তির মৃত্যু
কলকাতায় তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ মৃতদের মধ্যে বেহালার পর্ণশ্রী থানা এলাকায় এক যুবক রয়েছে৷ গতকাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি মারা যান ৷ পাশাপাশি তালতলাতেও আরেক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ৷ নদিয়ায় একজন মারা গেছেন ৷












Click it and Unblock the Notifications