Akhil Giri-Mamata Banerjee: অখিল গিরির মন্তব্যে তৃণমূলের ভাবমূর্তি খারাপ হয়েছে, মানছেন জয়প্রকাশ
Akhil Giri-Mamata Banerjee: অখিল গিরির মন্তব্যকে তৃণমূল কখনই অনুমোদন করে না। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হয়েছে মেনে নিলেন তৃণমূল মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর দাবি, তৃণমূলে অন্যায় করলে মন্ত্রীকেও যে ছাড়া হয় না এটাই প্রমাণ। সরকারি মহিলা আধিকারিককে প্রকাশ্যে পেটানোর হুমকি দেন অখিল গিরি।
এমনকি আয়ু ১৫ দিনের বেশি নয় বলেও বিতর্কিত মন্তব্য করেন। আর সেই ভিডিও সামনে আসার পরেই রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে (Akhil Giri-Mamata Banerjee)।

অখিল গিরির গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয় বিজেপি। পুরো ঘটনা নজরে আসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্যের মন্ত্রীর এহেন কীর্তি দেখে চরম ক্ষুব্ধ হন তিনি। এরপরেই সুব্রত বক্সিকে দিয়ে অখিল গিরিকে ওই মহিলা আধিকারিকের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেন। একই সঙ্গে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশও মুখ্যমন্ত্রী দেন তাঁকে। এরপরেই কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান অখিল গিরি।
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। আজ রবিবার ইমেলে আর আগামীকাল সোমবার হার্ডকপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন অখিল। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দলগত ভাবে এই সিদ্ধান্ত সবাই মিলে নেওয়া হয়। এরপর তা অখিল গিরিকে জানিয়ে দেওয়া হয়। ইস্তফা দিলেও মহিলা সরকারি আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাইবেন না বলে জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। এই প্রসঙ্গে জয়প্রকাশবাবুর দাবি, বিষয়টি দল দেখছে। অবশ্যই আলোচনা করবে শীর্ষ নেতৃত্ব।
তৃণমূল মুখপাত্রের দাবি, অনুশাসন এবং সংশোধনে বিশ্বাস করে দল। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিত্তমান নয়, বিবেকবান হওয়ার কথা বলেছেন। নেতা-কর্মীদের সংযত হওয়ার কথা বলছেন। এই অবস্থায় এদিনের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। অন্যদিকে তৃণমূলের এহেন সিদ্ধান্তকে পাল্টা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিজেপি মুখপাত্র তথা রাজ্য সভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।
তাঁর দাবি, এই দেশে একটা আইনের শাসন আছে। সরকারি অধিকারিককে কাজে বাধা দিলে ব্যবস্থা নেবে আদালত। সুব্রত বক্সি তো বিচারপতি বা আদালত নয় তিনি কিভাবে এই সিদ্ধান্ত নেবে। এটাই তৃণমূল কংগ্রেস বলে তোপ বিজেপি নেতার। একই সঙ্গে বলেন, বন দফতরের দুর্নীতি ফাঁস করার কথা বলেছে অখিল গিরি। সেটা জানাক তাহলে তিনি। আমলা ও মন্ত্রীরা মিলে একসঙ্গে এখানে দুর্নীতি হয় বলেও মন্তব্য শমীক ভট্টাচার্যের।












Click it and Unblock the Notifications