বিজেপিই চ্যালেঞ্জার! ‘বিভীষণে’র যোগদানে বদলেছে ‘গেমপ্ল্যান’, ‘অ্যাডভান্টেজ’ মমতা
২০১৯-এ লোকসভা ভোটে বিজেপির উত্থান হয়েছে বাংলায়। এক লাফে দুই থেকে বেড়ে ১৮-য় পৌঁছে গিয়েছে সাংসদ সংখ্যা। তাই তারা এবার টার্গেট করেছে বাংলায় পরিবর্তনের।
২০১৯-এ লোকসভা ভোটে বিজেপির উত্থান হয়েছে বাংলায়। এক লাফে দুই থেকে বেড়ে ১৮-য় পৌঁছে গিয়েছে সাংসদ সংখ্যা। তাই তারা এবার টার্গেট করেছে বাংলায় পরিবর্তনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছাড়ার পাত্র নন। বিজেপিকে পরাজিত করে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসতে ইতিমধ্যেই গেমপ্ল্যান তৈরি করে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মাত্র দু-বছরের মধ্যে রাজ্যে চতু্র্থ স্থান থেকে উঠে এসে প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে বিজেপি। তাঁরাই প্রকৃত অর্থে তৃণমূলের চ্যালেঞ্জের হয়ে উঠেছে বাংলায়। এবার লক্ষ্য তৃণমূলকে সিংহাসনচ্যুত করার। আর তার প্রথম যুদ্ধ-জয় করে বৈতরণী পার করে ফেলেছে বিজেপি।
তা দেখে তৃণমূলও কোমর বেঁধেছে। বিজেপির সঙ্গেই যে ২০২১ বিধানসভায় তাঁদের লড়াই হবে তা নিশ্চিত জেনেই প্রশান্ত কিশোরকে ভোট কৌশলী হিসেবে নিয়োগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার চেষ্টা প্রাথমিকভাবে সফল মমতা। একটা সময় বিজেপির হয়ে রণনীতি স্থির করেছেন, এবার বিভীষণের ভূমিকা নিয়ে তিনি তৃণমূলের রণনীতি নিরূপণের দায়িত্বে।
লোকসভা ভোটের পর তৃণমূলে বোট-কৌশলের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। ২০১৪ সালে মোদীর 'চায়ে পে চর্চা' ছিল তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত। তেমনই তৃণমূলের দায়িত্বে এসেই তিনি 'দিদিকে বলো' শুরু করেছিলেন। আর তাতে সাফল্যও পেয়েছেন। একবারে হাতেনাতে ফল। বালায় তিনটি উপনির্বাচনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল। জয়ী হয়েছে প্রশান্ত কিশোরোর কৌশল।
এই অবস্থায় ২০২১-এ কাঁটে কি টক্কর দেখার অপেক্ষার বাংলা। বিজেপির চ্যালেঞ্জ নিয়ে তৃণমূল ফের জিতে আসতে পারে কি না, প্রশান্ত কিশোরের কৌশল আবারও মাত দিতে পারে কি না, তা-ই দেখার। এর আগে ২০১৪-য় নরেন্দ্র মোদীকে এবং ২০১৯-এ জগন্মোহন রেড্ডিকে ক্ষমতায় আনার পিছনে ছিল প্রশান্ত কিশোরের মাথা। এবার সেই মাথাই মমতাকে বাংলার সিংহাসন ধরে রাখতে সাহায্য করে কি, লাখ টাকার প্রশ্ন এটাই। অপেক্ষা ২০২১-এর।












Click it and Unblock the Notifications