মমতার ‘সবুজ সাথী’ ফের সেরার সেরা, বিশ্বজয়ীর সম্মান ছিনিয়ে আনল বাংলা
বাংলার আরও এক প্রকল্প জগৎসেরার সম্মান ছিনিয়ে আনল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প ‘সবুজ সাথী’ ইনফর্মেশন সোসাইটির ওয়ার্ল্ড সামিটে বিজয়ী হয়েছে।
বাংলার আরও এক প্রকল্প জগৎসেরার সম্মান ছিনিয়ে আনল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প 'সবুজ সাথী' ইনফর্মেশন সোসাইটির ওয়ার্ল্ড সামিটে বিজয়ী হয়েছে। ভার্চুয়াল পুরষ্কার প্রদানের অনুষ্ঠানটি আসন্ন সেপ্টেম্বরেই হতে পারে। তখনই ২০১৯ সালের সেরার সেরা প্রকল্পের সম্মানে ভূষিত করা হবে 'সবুজ সাথী'কে।

পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন 'সবুজ সাথী'
এর আগে ২০১৮ সালের পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ‘সবুজ সাথী'। পিছিয়ে পড়া শ্রেণি কল্যাণ বিভাগের তৎকালীন প্রধান সচিব এসকে থাডে, কারিগরি শিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব রোশনি সেন এবং পশ্চিমবঙ্গ তফসিলি জাতি এবং তপশিলী উপজাতি অর্থ উন্নয়ন কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থপ্রতীম মান্না জেনেভায় গিয়ে এই পুরস্কার এনেছিলেন।

মমতার সবুজ সাথী ৮০০ প্রকল্পের মধ্য়ে সেরা
মমতার সবুজ সাথী ৮০০ প্রকল্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সেরার সম্মান ছিনিয়ে এনেছি। ২০১৫ সালের অক্টোবরে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লবপুরে একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সাইকেল তুলে দিয়েছিলেন। নবম ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের সাইকেল দেওয়া হয়েছিল দূর দূরান্ত থেকে সহজে স্কুলে আসার জন্য।

সবথেকে সফল প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি
সময় প্রমাণ করেছে যে এই সবুজ সাথী প্রকল্প রাজ্য সরকার প্রবর্তিত সবথেকে সফল প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। সবুজ সাথী স্কিমের আওতায় সাইকেলের পাওয়ার পর অনেক ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। বাংলায় এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে পরিবহণ ব্যবস্থা এখনও ততটা ভালো নয়। পরিবহন ব্যবস্থা নেইও অনেক জায়গায়। তাঁদের সুবিধা দিয়েছে এই প্রকল্প।

বাংলা এবার আত্মনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখছে
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার বলেছিলেন, রাজ্য সরকার বাংলায় সাইকেল কারখানা স্থাপনে আগ্রহী। সবুজ সাথী বিশেষত গ্রামাঞ্চল ও আধা শহুরে বাংলায় স্কুল ছাড়ার সংখ্যা কমিয়েছে। এবার থেকে সবুজ সাথী প্রকল্পের জন্য সাইকেল উৎপাদন করবে বাংলাই। বাংলা এবার আত্মনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।












Click it and Unblock the Notifications