কালীঘাটে জরুরি বৈঠক ডাকলেন মমতা! একাধিক সাংগঠনিক পদে রদবদলের সম্ভাবনা
এবার বাংলার নির্বাচন বিজেপির কাছে ছিল প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। গোটা টিমকে মাঠে নামিয়ে দেয় মোদী-শাহ কোম্পানি। কিন্তু এরপরেও ২০০ এরও বেশি আসন পেয়ে বাংলার মসনদে ফিরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলাফল প্রকাশের পরেই কার্যত ধাক্কা বঙ্গ
এবার বাংলার নির্বাচন বিজেপির কাছে ছিল প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। গোটা টিমকে মাঠে নামিয়ে দেয় মোদী-শাহ কোম্পানি। কিন্তু এরপরেও ২০০ এরও বেশি আসন পেয়ে বাংলার মসনদে ফিরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলাফল প্রকাশের পরেই কার্যত ধাক্কা বঙ্গ বিজেপির।
২০০ এরও বেশি আসনে বাংলার মসনদে মমতা ফিরলেও এখনও দলে বেশ কিছু গদ্দার দলের মধ্যে রয়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, সামনেই পুরসভা ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় দলকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন সুপ্রিমো!

সাংগঠনিক বৈঠক করতে চলেছেন মমতা
বিপুল ভোটে জয় পাওয়ার পরে নব নির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর এই প্রথম দলের মেগা সাংগঠনিক বৈঠক করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৫ জুন বেলা তিনটের সময় এই বৈঠক হবে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে দলের সব নির্বাচিত বিধায়ক, সাংসদ, জেলা সভাপতিরা। ইতিমধ্যেই তাঁদের উপস্থিত থাকতে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ তারিখের বৈঠকে দলের সাংগঠনিক রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও দলীয় সূত্রে খবর। এছাড়াও বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্তও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিতে পারেন বলে খবর। সেদিন দুপুর ২ টোয় প্রথমে হবে কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক। পরে ৩ টেয় হবে সাংগঠনিক বৈঠক। বৈঠকে থাকবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিম, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সব নেতা।

‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি ঘোষিত হয়েছে
ইতিমধ্যে 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতি ঘোষিত হয়েছে। অর্থাৎ, কোনও একজন নেতা একটি মাত্র পদেই থাকতে পারবেন। সাংসদ বা বিধায়ক পদে থাকলে দলীয় পদ থেকে সরতে হবে। সে ক্ষেত্রে বহু মন্ত্রী যাঁরা জেলা সভাপতি পদে আছেন তাঁদের পদ খোওয়ানোর সম্ভাবনা ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। এমন অনেকেকই দলীয় পদ খোয়াতে হতে পারে। ফলে এই বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিমহল। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নেতার ডানা ছাটাও হতে পারে এই বৈঠকে।

পুরানো ফেরাতে সিদ্ধান্ত!
মমতা তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেও এ বার মমতার উত্থান রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এক অন্য বার্তা দিয়েছে। প্রবল ধাক্কা খেয়েছে। আর এরপরেও বহু বিজেপি নেতাই এখণ তৃণমুলে ফিরতে চাইছে। যদিও দলের একাংশ এমন সমস্ত নেতাদের দলে ফেরাতে চায় না। যদিও ইতিমধ্যে পুরানোদের স্বাগত জানিয়েছেন মমতা। এই অবস্থায় পুরানোদের ফেরানো নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে খবর। এছাড়াও সামনে পুরসভা নির্বাচণ। তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications