১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধি নিষেধ কার্যকর থাকলেও একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা মমতার
১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধি নিষেধ কার্যকর থাকলেও একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১ জুলাই রাজ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে কার্যত কড়া লকডাউন শেষ হচ্ছে। আর তাঁর আগে করোনার বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা সামনে
১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধি নিষেধ কার্যকর থাকলেও একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১ জুলাই রাজ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে কার্যত কড়া লকডাউন শেষ হচ্ছে। আর তাঁর আগে করোনার বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা সামনে আনলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
তিনি বলেন, ১৫ জুলাই পর্যন্ত কড়া বিধি নিষেধ জারি থাকবে। তবে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, সবরকম ভাবে একটু ছাড় দিয়ে দেখছি কি হয়। যদিও এটা পরীক্ষামূলক পদ্ধতি বলেও এদিন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সরকারি এবং বেসরকারি বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে
বিধি নিষেধ থাকলেও ১ জুলাই থেকে সরকারি এবং বেসরকারি বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, মাত্র ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়েই চালাতে হবে বাস পরিষেবা। ভিড় হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের। তবে বাস পরিষেবা শুরু হলেও এখনও ট্রেন কিংবা মেট্রো পরিষেবা চালু করতে রাজি নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। নির্দেশ অনুসারে ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধই থাকছে পরিষেবা।

দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রেও নিয়মে বদল
এছাড়াও বাজার দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু বদল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে বাজার খোলা থাকবে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আগে বাজার খোলা থাকত সকাল ১১ টা পর্যন্ত। এখন তা আরও এক ঘন্টা বাড়ানো হল। তবে মুদিখানা সহ সহ অন্যান্য সমস্ত দোকান খোলা রাখার সময়সীমাতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে।

সেলুন-পার্লার খোলার অনুমতি
শর্ত সাপেক্ষে সেলুন এবং পার্লার খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। সকাল ১১টা থেকে বিকেলে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই সমস্ত দোকান। তবে ভিড় করতে দেওয়া চলবে না। মাত্র ৫০ শতাংশ লোককেই সেলুন কিংবা পার্লারের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া চলবে না। সমস্ত কর্মচারীদের ভ্যাকসিন নেওয়া থাকতে হবে। না হলে প্রশাসনের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জিমের ক্ষেত্রেও ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে, জিম খোলা হলেও সবাই মাস্ক পড়ে শরীর চর্চা তা করতে হবে। শুধু তাই নয়, অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সরকারি-বেসরকারি অফিসে বাড়ছে কর্মীর সংখ্যা
দীর্ঘদিন ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়েই চলছিল সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা। কিন্তু সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অবস্থায় অফিসে কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৫০ শতাংশ কর্মীকে অফিসে নিয়ে আসা যাবে বলে এদিন ছাড় দিয়েছেন তিনি। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, সবাই একসঙ্গে না বসে। সমস্ত অফিসে সোশ্যাল ডিসটেস্ট বজায় রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, সরকারি দফতর খোলা রাখা যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত।

অনুষ্ঠান বাড়িতে ৫০ শতাংশ উপস্থিতি
বিয়ে বাড়ির মরশুম। সেখানে মাত্র ৫০ শতাংশ উপস্থিতির কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যয়াধায়। এর বেশি আমন্ত্রণ করা যাবে না। কিন্তু এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে বলেন যে, মহামারী চলছে। কিন্তু এখনও অনেক মানুষ রয়েছেণ যারা মাস্ক পড়ছেন না। শুধু তাই নয়, বিশেষ করে একটি রাজনৈতিকদল সোশ্যাল ডিসটেন্স মানছে না। সবাই মিলে একজোট হয়ে মিটিং-মিছিল করছে। এমন চললে মহামারী আইনে মামলা রুজু করার হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।












Click it and Unblock the Notifications