পাহাড় শান্তি ফেরাতে উন্নয়নই হাতিয়ার, বিনয় তামাংকে নিয়ে কী পরিকল্পনা মমতার
অনির্দিষ্টকালীন বনধের জেরে পাহাড় সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ। এই অবস্থায় পাহাড়কে ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে।
পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে এবার উন্নয়নকেই হাতিয়ার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিকল্পনা করেই তিনি এগোচ্ছেন পাহাড়ের শান্তি স্থাপনে। পাহাড় উন্নয়নে অস্থায়ী বোর্ড গঠন করে তাঁর মাথায় বসিয়েছেন বিনয় তামাংকে। তারপর চলতি বছরেই অন্ততঃ চার-পাঁচশো কোটি টাকা অনুদান দেওয়া চূড়ান্ত করে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ে ফের হাসি ফোটাতে উদগ্রীব তিনি।

জিটিএ থেকে বিমল গুরুংরা পদত্যাগ করার পরই পাহাড়ের উন্নয়নমূলক কাজ পুরোপুরি থমকে গিয়েছিল। উন্নয়নের পরিবর্তে আগুন জ্বলতে শুরু করেছিল পাহাড়ে। এই ১০০ দিনে পাহাড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনির্দিষ্টকালীন বনধের জেরে পাহাড় সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ। এই অবস্থায় পাহাড়কে ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই আর্থিক বছরেই পাহাড়ের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছেন বিনয় তামাংয়ের নেতৃত্বধীন বোর্ড। এই কাজে বাধ সাধতে পারেন একমাত্র বিমল গুরুং। কিন্তু তিনি এই মুহূর্তে পাহাড় থেকে বিচ্যুত। পাহাড়ে ঢোকার অনুমতি নেই তাঁর। কিন্তু হিংসা ছড়াতে কসুর করছেন না। সেটাই ভয় প্রশাশনের। সেজন্য সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এমনিতেই তাঁকে সরিয়ে পাহাড়ে সর্বেসর্বা হয়ে উঠছেন বিনয় তামাং। পাহাড় বোর্ডের প্রধানই এখন পয়লা নম্বর শত্রু গুরুংয়ের। তাই বিনয় টার্গেট হয়ে গিয়েছেন। এই অবস্থায় বিনয় তামাং ও পাহাড়বাসীকে নিরাপত্তা দেওয়ার গুরু দায়িত্ব বর্তেছে পুলিশের উপর।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী নতুন বোর্ড গঠন করার পরই বিশেষ অডিট টিমকে পাহাড় থেকে ফিরিয়ে নিয়েছেন। গুরুংয়ের আমলে টাকা নয়ছয়ের তদন্ত আপাতত স্থগিত। ইতিমধ্যে নবগঠিত বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিও সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। সোমবার থেকেই এই নয়া বোর্ড কাজ শুরু করবে পাহাড়ে।
তবে কয়েকজন এই মুহূর্তে গুরুংয়ের ভয়ে এই বোর্ডে যোগ দেবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অবশ্য বিকল্প নাম ভাবাই আছে মুখ্যমন্ত্রীর। ভানু ভবন এখন পুলি্শ দখল নিয়েছে। এই ভানু ভবনের অফিসেই পুলিশে ঘেরাটোপে বিনয় তামাং-অনীত থাপার জমানা শুরু হচ্ছে পাহাড়ে।












Click it and Unblock the Notifications