Lok Sabha Election Results:সাফল্যের দিশা দেখাতে ব্যর্থ শুভেন্দু-সুকান্ত জুটি, দিলীপকে সরানোর মাসুল দিল বিজেপি
২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে দুটি আসন জেতার পর ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে গোটা রাজ্যে থেকে তিনটি আসন পায় বিজেপি। রাজ্য সভাপতি হন দিলীপ ঘোষ। এরপরই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু করে ক্রমশ জেরুয়া শিবিরের দাপট বাড়তে শুরু করে। বাংলা জুড়ে ২০১৯ সালের ভোটে চমক দেয় বিজেপি গোটা রাজ্য থেকে১৮ টি আসন দিতে চমক দেয় বিজেপি। সভাপতি হিসেবে বিজেপিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান দিলীপ ঘোষ।
কিন্তু ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে পরী রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদে বদল হয়।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বালুরঘাটের সাংসদ শ্রীকান্ত মজুমদারকে রাজ্য সভাপতি পদে বসায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে এবার হতাশাজনক ফল করল বিজেপি। ১৮ টি ধরে রাখতেই পারল না উল্টে সেখান থেকে কমে গেল আরও ছটি আসন। দিলীপ ঘোষ কে সরিয়ে দেওয়ার খেসারতি কি দিতে হলো বিজেপিকে?

কিন্তু দিলীপ ঘোষ নয়, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে গত দুই বছর ধরে পরিচালিত হয়েছে বিজেপির রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের বিজেপির প্রধান দুই মুখ ছিলেন সুকান্ত এবং শুভেন্দু। কিন্তু এই ভোটের ফলাফল প্রমাণ করছে শুভেন্দু সুকান্ত জুটি ওপর মানুষ আস্থা রাখতে পারলেন না।
একুশের বিধানসভা ভোটে প্রায় ক্ষমতায় আসবে ধরে নিয়ে প্রচার চালিয়েছিল বিজেপি কিন্তু হাতে এসেছিল মাত্র ৭৭ টি আসন এবার লোকসভা ভোটে প্রচারে ঝড় তুলেছিল বিজেপি। কিন্তু ১২টির বেশি আসনে জিততে পারল না তারা বিজেপি এই ফলের ময়না তদন্তে উঠে আসছে সংগঠনের রদবদে্র কথাই। দিলীপের বদলে সুকান্ত মজুমদারকে দলের দায়িত্ব দিয়ে কতটা লাভ হল সেই প্রশ্ন কিন্তু উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে সাংসদ সংখ্যা দুই থেকে ১৮ নিয়ে গেছিলেন দিলীপ ঘোষ সেখানে আবার কমে গেল বিজেপি সাংসদ সংখ্যা।
এবার নিজেও ভোটে হেরে গিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ভোটের দিন একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। গোব্যাক স্লোগান থেকে শুরু করে দিলীপের কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এমনকী দিলীপেক কনভয়ের নিরাপত্তায় থাকায় দুই জওয়ান। একাধিক জায়গায় গো ব্যাক স্লোগদানো দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে দেখে।












Click it and Unblock the Notifications