সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করছেন ধনখড়, রাজ্যপাল ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক বিমান
রাজ্যপাল ধনখড়ের (jagdeep dhankhar) বিরুদ্ধে সরব বামফ্রন্ট (left front)। যখন প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে সরব শাসক তৃণমূল, সেই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বামেদের সরব হওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এদিন সাংবা
রাজ্যপাল ধনখড়ের (jagdeep dhankhar) বিরুদ্ধে সরব বামফ্রন্ট (left front)। যখন প্রায় প্রতিদিনই রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে সরব শাসক তৃণমূল, সেই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বামেদের সরব হওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু (biman bose) অভিযোগ করেন, একজন বিজেপির নেতার মতোই কাজ করছেন ধনখড়।

সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করেছেন ধনখড়
এদিন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে করা সাংবাদিক সম্মেলনে বিমান বসু অভিযোগ করেন, রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, উত্তরবঙ্গ-সহ একাধিক জায়গায় তিনি গিয়েছেন, সব জায়গাতেই তিনি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন। একজন বিজেপি নেতার মতোই তিনি কাজ করেছেন। একজন রাজ্যপালের ভূমিকা এটা হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যপালের কার্যকলাপ
রাজ্যে ভোট পরবর্তী বিংসার ঘটনা ঘটেছে। তার পরিদর্ষনে রাজ্যপাল প্রথমেই যান উত্তরবঙ্গে, তারপর তিনি যান নন্দীগ্রামে। প্রায় প্রতিদিনই তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ১৫ জুন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও পাঠান। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরকার এখনও নীরব। রাজ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করার পাশাপাশি মহিলাদের সম্মান নষ্টের অভিযোগও তিনি করেন। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও তা একই সময়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে আনেন।
তিনদিনের দিল্লি সফরে রাজ্যপাল এদিন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গেও দেখা করেন।

পাল্টা প্রতিক্রিয়া সরকারের
যদিও রাজ্যপালের এই চিঠি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। স্বরাষ্ট্র দফতরের করা টুইটে বলা হয়, কাল্পনিত তথ্যের ভিত্তিতে চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল। তাঁর ভূমিকায় স্বরাষ্ট্র দপতর হতাশ। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি এইভাবে প্রকাশ্যে আনা যায় না বলেও মন্তব্য করা হয় সেখানে। টুইটে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যএ মন্ত্রিসভা গঠনের পরেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

কটাক্ষ তৃণমূলেরও
রাজ্যপালের অবস্থান সম্পর্কে কটাক্ষ করতে গিয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, রাজ্যপালের মাথায় সবসময় হিংসার কথাই ঘোরে। যা তিনি ঘুমিয়েও দেখতে পান। এই ধরনের মানুষের মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। ফিরহাদ দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে বাংলায় কোনও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেনি। পারিবারিক হিংসাই হোক কিংবা সুইসাইড সব ক্ষেত্রেই ঘটনাগুলিকে রাজনৈতিক হিংসা বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications