নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগে নাম জড়াল রাজ্যপালের ভাইপোর, হেয়াস্ট্রিট থানার হাতে জিরো FIR-র কপি
নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণের অভিযোগ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে। এবার সেই মামলায় নাম জড়াল রাজ্যপালের ভাইপোর। অভিযোগ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভাইপো নৃত্যশিল্পীকে দিল্লির সেই হোটেল বুক করে দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই জিরো FIR-র কপি দিল্লি পুলিশকে পাঠিয়েছে কলকাতার হেয়ারস্ট্রিট থানা।
রাজভবনের মহিলা কর্মীর দায়ের করা শ্লীলতাহানির অভিযোগের পরে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নৃত্যশিল্পীর করা ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। দিল্লিতে একটি হোটেলে নাকি সেই নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণ করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। দিল্লি পুলিশে সেই অভিযোগও দায়ের করেছিলেন নৃত্যশিল্পী।

এবার সেই মামলায় রাজ্যপালের ভাইপোর নাম জড়িয়েছে। রাজ্যপালের ভাইপো নাকি নৃত্যশিল্পীকে সেই হোটেল বুক করে দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই সেই জিরো এফআইআরে কপি হেয়ার স্ট্রিট থানা দিয়েছে দিল্লি পুলিশকে। এই নিয়ো জোর জল্না শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ পদাধিকারের কারণে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে দেশের কোনও থানায় অভিযোগ দায়ের করা যাবে না এমনকী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কোনও আদালতে কোনও মামলাও দায়ের করা যাবে না।
লোকসভা ভোটের মাঝেই রাজভবনের এক মহিলা কর্মী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করে হেয়ারস্ট্রিট খানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেখানে মহিলা অভিযোগ জানিয়েছিলেন একবার নয় একাধিরবার রাজ্যপাল তাঁকে চেম্বারে ঢুকে শ্লীলতাহানি করেন। মহিলা কর্মীর এই অভিযোগের পর রাজ্যপাল পাল্টা আঙুল তুলেছিলেন শাসক দলের বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার তিনি। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্কের টানাপোড়েন সকলেই জানা সেই ঘটনাকেই এর নেপথ্যের কারণ হিসেবে মনে করছিলেন অনেকেই। তারপরে নির্বাচনী প্রচারের ময়দান থেকে রাজ্যপালকে তীব্র নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন এবার আর রাজভবনে গিয়ে বৈঠক করবেন না তিনি। নিরাপদ নন িতনিও। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উতোর শুরু হয়ে গিয়েছিল। এরই মধ্যে রাজভবনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চায় পুলিশ। তাতে অত্যন্ত রুষ্ট হন রাজ্যপাল এবং রাজভবনের কর্মীদের পুলিশের সঙ্গে কথা না বলার নির্দেশ জারি করেন।
তারপরে রাজভবনের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ফুটে প্রকাশ করা হয়। তাতে অভিযোগকারী মহিসার ফুটেজও ছিল। কিন্তু কলকাতা পুলিশকে সেই ফুটেজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেয় রাজভবন। এই নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications