Kanchenjunga Express Accident: গভীর রাতে কাঞ্চনজঙ্ঘা শিয়ালদহে, মমতার নির্দেশে হেল্প ডেস্কে থাকবেন মন্ত্রীরা
Kanchenjunga Express Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ও মালগাড়ির সংঘর্ষে বেসরকারি সূত্রে ১৫-১৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁকে জানানো হয়েছে ৮ জনের মৃত্যুর কথা।
এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলিকে বাদ দিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে শিয়ালদহ পাঠানো হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ট্রেনটি সামসি ছেড়ে মালদহ টাউনের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ভারতীয় রেলের তরফে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে রাত ২টোর আশেপাশে ট্রেনটি শিয়ালদহে পৌঁছনোর কথা। নির্ধারিত সমস্ত স্টেশনেই ট্রেনটি দাঁড়াচ্ছে। যেভাবে ট্রেনটি লেটে চলছে, তাতে রাত ২টোর পরেও ঢুকতে পারে শিয়ালদহে। স্বাভাবিকভাবে অত রাতে বাড়ি কীভাবে ফিরবেন তা নিয়ে চিন্তায় যাত্রীরা।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বন্দোবস্ত করলেন। রাত ১২টা থেকেই শিয়ালদহ স্টেশনে থাকবে রাজ্য সরকারের হেল্প ডেস্ক। যার তদারকিকে থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী।
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রীদের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ছোট, বড়, মাঝারি- সবরকমের বাসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে শিয়ালদহ স্টেশনে। যাতে গভীর রাতে ট্রেনটি শিয়ালদহে ঢোকার পর যাত্রীদের গন্তব্যে ফিরতে কোনও অসুবিধা না হয়।
আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়িতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আহতদের খোঁজখবর নেন। তাঁর সঙ্গে শিলিগুড়িতে পৌঁছন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জনা ২০-র চিকিৎসা চলছে। বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বাড়ি ফেরানোর জন্য উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের তরফে বিশেষ বাসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থলে আর যাননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, উদ্ধারকাজ শেষ। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাই কাম্য। যাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁদের পরিচিত লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করানো হয়েছে। যাতে তাঁরা সুস্থ হলে তাঁদের বাড়িতে সহজেই পাঠানো যায়। একজন অ্যাম্বুল্যান্সে যাবেন। স্থানীয় বিধায়ককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।
এদিকে, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে দুর্ঘটনা নিয়ে রেল মন্ত্রককে কাঠগড়ায় তুলেছেন তাকে পাত্তা দেননি সুকান্ত। তিনি বলেন, রাজ্যপাল ও আমি একই বিমানে এসেছি। সেটি ছোট বলে নাকি মুখ্যমন্ত্রী তাতে আসেননি। ইন্ডিগোকে বলে বিশেষ বিমানের বন্দোবস্ত করে তিনি এসেছেন। মা-মাটি-মানুষ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর ছোট বিমানে অসুবিধা হয়।












Click it and Unblock the Notifications