জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের উপর হামলা, গ্রেফতার অভিষেক, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের উপর অতর্কিতে হামলা। বড়সড় ক্ষতি না হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের হাবরার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মুখ, বুক ও কোমরে চোট পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
সল্টলেকে নিজের বাসভবনের অফিসেই আক্রান্ত হন জ্যোতিপ্রিয়। হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জ্যোতিপ্রিয় আজই হাবরা থেকে সল্টলেকে ফিরেছেন। সেখানে তাঁর বাড়িতেই অফিস রয়েছে। সূত্রের খবর, সেখানেই কয়েকজনের সঙ্গে বসে জ্যোতিপ্রিয় গল্প করছিলেন। তখন তাঁকে জানানো হয়, অনেকক্ষণ ধরে এক যুবক তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন বলে অনুরোধ করে চলেছেন।
এরপর জ্যোতিপ্রিয়র দফতরে ঢুকে কিছু কথা বলেই অভিযুক্ত হামলা চালান বলে দাবি প্রাক্তন মন্ত্রীর। মুখে ঘুষি মেরে ফেলে দিয়ে কিল-চড় মারার অভিযোগও রয়েছে। রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তিনি সুগারের রোগী, বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও রয়েছে। ফলে অতর্কিতে হামলার জেরে হতচকিত হয়ে যান জ্যোতিপ্রিয়।
হামলাকারী পালানোর চেষ্টা করলে ধরে ফেলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর বিধানগর পুলিশ কমিশনারেটের হাতে হামলাকারীকে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ। জানা গিয়েছে, বিকেল তিনটে নাগাদ জ্যোতিপ্রিয়র বাড়ির সামনে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় যুবককে। মাঝে কিছুক্ষণ দেখা না গেলেও পরে ফের সেখানে যুবককে দেখা যায়।
কীভাবে জ্যোতিপ্রিয়র উপর হামলা হয়েছে, কী কারণে এই হামলা তা জানার চেষ্টা চলছে। জানা যাচ্ছে, ধৃত যুবক হাবরারই বাসিন্দা। নাম অভিষেক ওরফে পাপন দাস। ধৃতের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলে মানসিক রোগী। কিছুদিন আগে মনোবিকাশ কেন্দ্র থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। জ্যোতিপ্রিয়র অন্ধ ভক্ত, বিভিন্ন সভা, সমাবেশ, মিছিলেও গিয়েছেন।
ধৃতের মায়ের আরও দাবি, চাকরি চাইতেই জ্যোতিপ্রিয়র কাছে গিয়েছিলেন। মা যখন তা জানতে পারেন তখন ছেলেকে বলেন, ওখানে চাকরি চাইতে যাওয়ার কী আছে? এরপর ছেলে মাকে জানান, তাঁকে সিকিউরিটি ধরে রেখেছে। সূত্রের খবর, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অভিষেক জ্যোতিপ্রিয়র উপর হামলা চালান। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে নিরাপত্তার বিষয়টি।












Click it and Unblock the Notifications