বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত বন্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে, কী পরিস্থিতি জাতীয় সড়কে?
বাংলার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা বন্যার জলে প্লাবিত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জল ছাড়ার কারণে ডিভিসির প্রতি উষ্মা প্রকাশ করেছেন। ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উপরেও কিছুটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর? বাংলার সীমান্ত আপাতত বন্ধ করে দিতে বলেছিলেন তিনি। তার জেরে এখন সমস্যায় পড়েছেন বহু চালক ও যাত্রী।
পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী ডুবুটি চেকপোস্ট সিল করেছে পুলিশ - প্রশাসন। ফলে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে কয়েকশো পণ্যবাহী গাড়ি। সমস্যায় পড়েছে গাড়ি চালকরা। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের সংযোগ রক্ষাকারী ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক। ডুবডি চেকপোস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অকস্মাৎ এই ঘটনায় রাস্তাতেই থমকে যেতে হয় পণ্যবাহী গাড়ি। ট্রাক ও অন্যান্য গাড়ির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। জাতীয় সড়কের উপরে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। শুক্রবার সকালে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে ট্রাক ও অন্যান্য গাড়ি। ট্রাক চালকদের অভিযোগ ,কেউ কাঁচা ফল নিয়ে আসছেন। কেউ বা ছাগল, কেউ বা ওষুধ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। হঠাৎ করে বর্ডার পার করে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে না পারায় সমস্যায় পড়েছেন তারা।
ডিভিসির ছেড়ে দেওয়া জলের কারণে বাংলার অনেক অংশ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলার সীমান্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা করেন। সীমান্ত বন্ধের বক্তব্যের পরে, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের মাইথনের ডুবডি চেকপোস্টে ঝাড়খণ্ড বাংলার সীমান্ত সিল করে দিয়েছে।
ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের ওই এলাকার বিডিও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সীমান্তে উপস্থিত পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পুলিশ অফিসাররা বলছেন, জল ছাড়ার পর অনেক গ্রাম জলের তলায়। রাস্তাঘাটও বেহাল হয়ে পড়েছে।
যার কারণে মালবাহী যানবাহন বাদে অন্যান্য ছোট-বড় যানবাহন, যেমন, বাসও বাংলায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বাইরে থেকে আসা ট্রাক চালকদের অবস্থা খুবই করুণ। তারা হতাশা নিয়ে রাস্তার পাশে গাড়ির দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।












Click it and Unblock the Notifications