জয়নগর কাণ্ডের জের, কাটাপুকুর মর্গের সামনে পুলিশ-বিজেপি খণ্ডযুদ্ধ
জয়নগর কাণ্ডের আঁচ এসে পড়ল কলকাতার রাস্তায়। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পথে নেমেছিলেন। কাঁটাপুকুর মর্গের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রীতিমতো বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। তারপরে পুলিশের লাঠিচার্জ। একাধিক বিজেপি কর্মী - সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর।
জয়নগরে শনিবার সকাল থেকেই ব্যাপক উত্তেজনা। চতুর্থ শ্রেণির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ শুক্রবার থেকে নিষ্ক্রিয় ছিল। এই অভিযোগ মানুষ করেছে। পুলিশ ফাঁড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয় শনিবার। প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় কুলতলির মহিষমারি এলাকায়।

বিজেপি নেতৃত্ব গোটা ঘটনায় ফের পুলিশের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় তুলেছে। অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত। সেই দাবি তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার বিকেলে মধ্য কলকাতায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব কর্মী সমর্থকরা পথে নামেন। জয়নগরের ঘটনায় তারা প্রতিবাদ করেন।
সেন্ট্রাল এভিনিউতে বিজেপি নেতা তমোঘ্ন ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান। ৩০ মিনিট রাস্তা অবরোধ করেন। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা হয়। কাঁটাপুকুর মর্গের সামনেও একইভাবে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পৌঁছে যান। সেখানে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয়। এদিকে কাঁটাপুকুর মর্গ ভিতরে ও বাইরের এলাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে রেখেছে। সেখানেই জয়নগরের মৃত নাবালিকার দেহ রাখা হয়েছে। সেই মর্গেই নাবালিকার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হবে।
মর্গের গেটে তালা লাগিয়ে রাখা হয়। রাজনৈতিক দলের কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এই কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এরপরেই বিজেপির কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ঝামেলা লাগে। রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। পুলিশ মারধর করে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। রক্ত ঝরার কথাও শোনা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications