RG কর কাণ্ডে সন্দীপ ঘোষকে টানা জেরা, রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ রাতে ফের মোমবাতি-প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ
রাতের শহরে ফের প্রতিবাদ। আরজি কর কাণ্ডে ফের একবার প্রতিবাদের ঝড় লেকটাউন থেকে বেহালা। বাদ যায়নি জেলাশহরগুলিও। রামপুরহাটেও মোমবাতি-প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন মহিলারা।
এদিন বিকেলে যুবভারতী চত্বরে যে বিক্ষোভ সংগঠিত হয়, তা চলে দীর্ঘক্ষণ। প্রথমে বিধাননগর পুলিশ এবং পরে কলকাতা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করলেও, তাতে আমল দিতে চাননি প্রতিবাদী নাগরিকরা।

এদিন যুবভারতী চত্বরে প্রতিবাদ শুরু হতে পুলিশ লাঠি উচিয়ে তাড়া করে বেলেঘাটা বিল্ডিং মোড়ের দিকে নিয়ে যায়। যদিও সেখানেই ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহমেডান সমর্থকরা একসঙ্গে বিক্ষোভ দেখা থাকেন উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগানে। তা শেষ হতে না হতেই লেকটাউট থেকে বেহালা, শহরের বিভিন্ন জায়গায় মহিলারা মোমবাতি-প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদে সামিল হন। যাদবপুরে পথ আটকে চলে বিক্ষোভ। বেহালায় থানার সামনে ডায়মন্ডহারবার রোডের দুই পাশে আটকে চলে বিক্ষোভ।
প্রতিবাদ জেলাতেও
তবে শুধু কলকাতাতেই নয়, রামপুরহাট হোক কিংবা বাঁকুড়ায় পথে নামেন মহিলারা। আরজি কর ইস্যুতে ফের একবার রাতের রাস্তা চলে যায় মহিলাদের দখলে। সকলের মুখেই এক কথা আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাই। প্রকৃত দোষীকে কোনভাবেই রেয়াৎ করা যাবে না বলে তাঁরা জোরালো আওয়াজ তোলেন। ধূপগুড়িতে মশাল হাতে প্রতিবাদে সামিল হন মহিলারা।
সন্দীপ ঘোষকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ
এদিকে এদিন সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জেরা চলছে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের। বেলা ১১টার আগে তিনি ঢুকেছিলেন সিজিও কমপ্লেক্সে। শুক্রবার ও শনিবারের পরে এদিনও তাঁকে জেরে চলছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। সকালে বেলেঘাটার বাড়ি থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মেজাজ হারাতে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে। সিবিআই দফতরে ঢোকার সময় এদিন তাঁর হাতে ছিল একটি ফাইল।
প্রসঙ্গত, মহিলা চিকিৎসকের নির্মম মৃত্যুর পরে সন্দীপ ঘোষের নাম প্রকাশ্যে আসে। চিকিৎসক থেকে পড়ুয়া সবাই অভিযোগ করেন, সন্দীপ ঘোষ অত্যন্ত প্রভাবশালী। পদত্যাগ করার পরে রাজ্য সরকার তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে পাঠালেও, হাইকোর্টের নির্দেশে ছুটিতে যেতে বাধ্য হন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সময় চাইলেন রাজ্যপাল
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেই রাজ্যপাল এই সময় চেয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications