দেওয়া হয়েছিল অযোগ্যদের তালিকা! সংখ্যা জানিয়ে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ খণ্ডনের চেষ্টা SSC-র
বৃহস্পতিবার সামনে এসেছে, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অযোগ্যদের তালিকা চেয়ে শিক্ষা দফতরে চিঠি দিয়েছে সিবিআই। তার আগে অবশ্য আদালত অভিযোগ করেছিল তদন্তে সহযোগিতা করছে না এসএসসি। এদিন এসএসসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়েছে, এসএসসির তরফে হলফনামা জমা দিয়ে অযোগ্যদের সংখ্যাটা জানিয়েছিল।
গত সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দেবাংশু বসাক ও শব্বার রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে। আদালতের রায়ে ২৫৭৫৩ জনের চাকরি যায়। সেই জায়গায় আদালত নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে বলে। প্রসঙ্গত এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন ফাইল করেছে রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

- সিবিআই-এর চিঠি
বৃহস্পতিবার সকালে জানা যায়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অযোগ্য ৫২৪৩ জনের তালিকা চেয়ে শিক্ষা দফতরকে চিঠি দিয়েছে। তারপর বেলা হতেই এসএসসির সাংবাদিক সম্মেলন।
- এসএসসির চেয়ারম্যানের দাবি
এদিন এসএসসির চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা দিয়েছিল এসএসসি। তিনি জানিয়েছেন, ১৩ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামায় আদালত সন্তুষ্ট না হওয়ায় ফের ১৮ ডিসেম্বর হলফনামা জমা দেওয়া হয়। আর ২০ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত গত সোমবারেই এসএসসির চেয়ারম্যান বলেছিলেন, তারা হাইকোর্টের রায়ে খুশি নন। তিনি সেই সময় প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, পাঁচ হাজার জনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠলে কেন ছাব্বিশ হাজার জনের চাকরি যাবে?
- অসহযোগিতার অভিযোগ খণ্ডনের চেষ্টা
সোমবার নিয়োগ দুর্নীতিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে ফাঁকা ওএমআর জমা দিয়ে অনেকেই অনেক বেশি নম্বর পেয়েছেন। যদিও ঠিক কতজন বেআইনিভাবে য়চাকরি পেয়েছেন, তা এসএসসির অসহযোগিতার জন্যই চিহ্নিত করা যায়নি। এসএসসির চেয়ারম্যান আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা আদালতকে সম্মান করেন। তবে অনেকে বলছেন এসএসসি তথ্য দেয়নি, তা মনে হয় ঠিক নয়।
- সংখ্যাটা কত
এদিন এসএসসির চেয়ারম্যান বলেন, এসএসসির তরফে আদালতে ৫৩০০ জনের নাম দেওয়া হয়েছিল, যাঁরা অযোগ্য কিংবা বিতর্কিত। এর মধ্যে অযোগ্যদের সংখ্যাটাই বেশি। তিনি জানান, নবম দশমে ৭৭৫ জনের নিয়োগ বিতর্কিত। এছাড়াও ৩৩ জনের ওএমআর শিট নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ১৮৩ জনকে র্যাঙ্ক জাম্প করে সুযোগ দেওয়া হয়। অন্যদিকে একাদশ-দ্বাদশে ৭৭১ জনের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রয়েছে ওএমআর শিট নিয়ে বিতর্ক। এছাড়া ৩৯ জনকে র্যাঙ্ক জাম্প করে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications