আর দুই বাংলা মেলে না ইছামতীতে, তবে এবারেও বিসর্জনে কড়া নজরদারি
ইছামতী নদীর বিসর্জন ঘিরে উন্মাদনা৷ পাশাপাশি সক্রিয় পুলিশ- প্রশাসন। ভৌগোলিক অবস্থানে ইছামতীর অবস্থান বেশ আকর্ষণীয়। একদিকে কিছুটা গেলেই ভারতের সুন্দরবন অঞ্চল৷ আর অন্যপাড়ে পড়শি বাংলাদেশ।
এই ইছামতীতেই বিসর্জন হয় উমার। এবারেও বিসর্জন নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ছিল। ইছামতী নদী ও টাকি এলাকায় ছিল কড়া পুলিশের নজরদারি। বসিরহাটের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী নীরাঞ্জনের প্রস্তুতিও চলেছে। সকাল থেকে বিভিন্ন ঘাট থেকে নৌকা,বসিরহাটের বোর্ড ঘাটে এসে জড়ো হয়।

বসিরহাটের একাধিক ক্লাব ও বাড়ির পুজোর প্রতিমা এই নৌকায় তুলে ইছামতি নদীর মাঝ বরাবর নিয়ে যাওয়া হয়। মাঝনদীতেই বিসর্জন দেওয়া হয়। এই ইছামতী নদীর এই বৈশিষ্ট আছে। একদিকে ভারতের টাকি। অন্যদিকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা রয়েছে।
আগে এই বিসর্জনের সময় দুই বাংলার মানুষ একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারতেন। সেইসময় প্রশাসনিক চাপ ছিল না। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক চোরাচালান হত। বেশ কয়েক বছর এই বিসর্জনের সময় আরো নজরদারি বেড়েছে।
জলপথেও সীমানা করা থাকে। আর নৌকা এপাড়, ওপাড় করতে পারে না। আগে ইছামতী নদীতে বিসর্জনের সময় প্রচুর মানুষ উপস্থিত হতেন। দুই বাংলার দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন উৎসব দেখার জন্য প্রচুর ভিড় হত৷ এখন কড়া নজরদারিতে সেই জৌলুস আর তেমন নেই।

এপাড়ে বসিরহাটের ইছামতীর ঘাট। পুলিশ - প্রশাসন বসিরহাট শহর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রেখেছে এই কয়েকদিন যেহেতু পাশে রয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার, অন্যদিকে রয়েছে সুন্দরবন। তার মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে ইছামতি নদী। তাই নজরদারি অনেক বেশি।
দশমীর বেলা থেকেই ইছামতীতে একের পর এক বিসর্জন হয়েছে। প্রতিমা নিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষ। ঘাটেই চলেছে বিসর্জনের নাচ। এলাকার মানুষরা ঘাটে দাঁড়িয়েই উমার বিসর্জন দেখেছেন।












Click it and Unblock the Notifications