হুমায়ুন তৃণমূল-সঙ্গ ত্যাগ করছেন, ফের নতুন দল গঠনের হুঁশিয়ারি
বহরমপুরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যোগ দিতে। সেখানেই ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর জানতে পারেন তাঁকে দল সাসপেন্ড করেছে। এরপরই সভাস্থল ছাড়েন হুমায়ুন।
তারই মধ্যে সংবাদমাধ্যমকে হুমায়ুন জানিয়েছেন যে, তিনি আগামীকাল পদত্যাগ করবেন। আগামী ২২ ডিসেম্বর নিজের নতুন দল গঠন করার ঘোষণাও করতে পারেন।

সাসপেন্ড হওয়া এই বিধায়ক সাংবাদিকদের বলেন, "আমি আগামীকাল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করব। প্রয়োজন হলে, ২২ ডিসেম্বর নতুন দল ঘোষণা করব।" তিনি জানান, দলীয় জেলা সভাপতি তাঁকে এদিনের সভায় থাকতে বলেছিলেন।
তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, "আমি জেলা সভাপতির সঙ্গে এই সভায় যোগ দিতে এসেছি। তবে আমাকে বিধায়ক পদ থেকে নয়, দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।" উল্লেখ্য, হুমায়ুন মুর্শিদাবাদ জেলায় ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা বলেছিলেন। যা নিয়ে তুঙ্গে ওঠে বিতর্ক। এরপরই আজ হুমায়ুনকে সাসপেনশনের কথা বলা হয়।
কলকাতার মেয়র ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, হুমায়ুন কবীরকে এর আগেও তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে দল তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয়। এক সাংবাদিক সম্মেলনে ফিরহাদ বলেন, "মুর্শিদাবাদে আমাদের একজন বিধায়ক হঠাৎ করেই বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছেন। হঠাৎ বাবরি মসজিদ কেন? তাঁকে আগেও সতর্ক করা হয়েছিল। তৃণমূলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমরা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করছি।"
"বিজেপির বিভাজনমূলক রাজনীতি"র অভিযোগ তুলে কলকাতার মেয়র প্রশ্ন তোলেন, "৬ই ডিসেম্বর কেন? হুমায়ুন কবীর অন্য কোনও নাম কেন বেছে নিলেন না? তিনি মুর্শিদাবাদে স্কুল বা কলেজ তৈরি করতে পারতেন। এটি বিজেপির কৌশল বলে আমরা মনে করি, যা ধর্মীয় বিভাজনের মাধ্যমে বাংলাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। বিজেপি বিভেদপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। নির্বাচনের আগে বিজেপি এমন তাস খেলেছে। আমার মনে হয় হুমায়ুন কবীর এই বিভাজনমূলক রাজনীতিতে পা রেখেছেন।"












Click it and Unblock the Notifications