ভাঙা পায়ে মমতা, এক আসনে অধীর, বিমান, আব্বাস! কেষ্টর কাছে রশেবসেই নেতা-নেত্রীরা
আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়ছে ভোটের গরম। যুযুধান সব পক্ষই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইতে উঠে পড়ে লেগেছে। প্রচারে ধার দিচ্ছেন মোদী, মমতা। পিছিয়ে নেই আব্বাস কিংবা বিমান বসুও।
আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়ছে ভোটের গরম। যুযুধান সব পক্ষই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইতে উঠে পড়ে লেগেছে। প্রচারে ধার দিচ্ছেন মোদী, মমতা। পিছিয়ে নেই আব্বাস কিংবা বিমান বসুও।
তবে এখানে সবাই এক জায়গায়। পাশাপাশি বসে আছেন নরেন্দ্র মোদী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাদ নেই অধীর, আব্বাসরাও। বাস্তবে এ দৃশ্য কেমন লাগবে জানা নেই, তবে রাজনীতি যদি এক উপাখ্যান হয়, এরা যেন তার চরিত্র। রক্ত মাংসের নয়, ক্ষীর দিয়ে তৈরি এদের মূর্তি।

মিষ্টিতেও ভোটের উত্তাপ লেগেছে হাওড়ায়
মিষ্টিতেও ভোটের উত্তাপ লেগেছে হাওড়ায়। মোদী, মমতার মূর্তি বানানো হয়েছে ক্ষীর দিয়ে। সেখানে বাদ যাননি অধীর, বিমান বা আব্বাস সিদ্দিকিরাও। হুইল চেয়ারে বসেই প্রচার সারছেন নেত্রী মমতা। নির্বাচনের ময়দানে এমন দৃশ্যের সাক্ষী রয়েছেন সবাই। কিন্তু সেই দৃশ্য এবার ফুটিয়ে তোলা হলো মিষ্টির মাধ্যমে। তাতে বাদ গেলেন না নরেন্দ্র মোদী থেকে আব্বাস সিদ্দিকী, বিমান বসু থেকে অধীর চৌধুরীরাও।

দুধ আর ক্ষীর দিয়ে তৈরি
দুধ আর ক্ষীর দিয়ে তৈরী হলো সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের মূর্তি। যার মধ্যে সব থেকে বেশি নজর কেড়েছে হুইল চায়েরে বসে ভোট প্রচারে মমতা ব্যানার্জীর মূর্তি। হাওড়ার খুরুটের নেতাজী সুভাষ রোডের এক প্রসিদ্ধ মিষ্টির দোকানে এখন শোভা পাচ্ছে প্রায় ১৫ কেজি ক্ষীর দিয়ে তৈরি এমন সব রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের ক্ষীরের মূর্তি। ইতিমধ্যেই ভোটের আবহে তা দেখতে দোকানে ভীড় জমাচ্ছেন নানা বয়সী ক্রেতারা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতীক চিহ্ন আঁকা সন্দেশ, মিষ্টি এমনকি রাজনৈতিক দলের রঙের তৈরি রসগোল্লাও বিক্রি হচ্ছে এখানে।

সব কাজেতেই মিষ্টি অপরিহার্য
মা গন্ধেশ্বরী সুইটস এর কর্ণধার কেষ্ট হালদার বলেন, শুরু থেকে শেষ সব কাজেতেই মিষ্টি অপরিহার্য। ভোটের বাজারেও প্রার্থীদের নমিনেশন থেকে শুরু করে উইনিং সব কাজেই মিষ্টি লাগে। তাই মিষ্টিকে মাধ্যম করেই এই উদ্যোগ নিয়েছি। ভোটের আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নরেন্দ্র মোদী, বিমান বসু, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, আব্বাস সিদ্দিকীদের ক্ষীরের মূর্তি বানিয়েছি। এমনটাই জানিয়েছেন কেষ্ট।

খেলা হবে স্লোগান
একই সঙ্গে তিনি বলেন, এবার ভোটে খেলা হবে খেলা হবে বলে শ্লোগান উঠেছে। আমার বক্তব্য খেলা নিশ্চয়ই হবে। কিন্তু তার মধ্যেও যেন বন্ধুত্ব যেন বজায় রাখি। শান্তি যেন বজায় থাকে। মিষ্টি সম্পর্ক যেন আমাদের বজায় থাকে। এই বার্তাই আমি সকলের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি। তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম ও আইএসএফ জোট মিষ্টি বানিয়েছি। সকলে দোকানে এসে সেই মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ভালো লাগছে। একজন মিষগি বিক্রেতা হিসাবে এর ইর থেকে বেশি কি আর পাওনা!












Click it and Unblock the Notifications