Howrah: “অন্যরা তো পতাকা নিয়ে আসেনি,” বেলগাছিয়ার ভাগাড়ে ঢুকতেই বামেদের ‘তাড়াল’ ভিটেহারা অসহায়রা
Howrah: হাওড়ার বেলগাছিয়ার ভাগাড়ে বিপর্যয়। পাইপলাইন ফেটে ধসে যাচ্ছে একের পর এক বাড়ি। রবিবারও নির্জলা থাকল উত্তর হাওড়ার ১৪টি ওয়ার্ড। বালির তিনটি ওয়ার্ডেও জলকষ্ট। চারদিন পার হতে চললেও নেই বিদ্যুৎ। রাস্তাতে বসেই ভুখা পেটে বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী। এমতাবস্থায় হাওড়াকাণ্ডে চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। উদাসীনতার দায়ে শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলছে বিরোধী শিবির।
রবিবার বেলগাছিয়ায় অসহায় মানুষদের পাশে যান বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ। শাসকদলকে একহাত নেন তিনি। বলেন, "গরিব মানুষকে কেন্দ্রের বিভিন্ন যোজনার সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। সেইসব প্রকল্পের টাকা তৃণমূলের নেতারা চুরি করে পকেটে পুরে নিচ্ছে। হাওড়ার বেলগাছিয়া ভাগাড়ে এত বড় বিপর্যয় হল, অথচ এখানকার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা।"

মন্ত্রী অরূপ রায় এই এলাকায় ক্রিমিনালদের চাষ করেন বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের। রবিবার দলীয় নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে হাওড়ার বেলগাছিয়া ভাগাড়ের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শন করে এমনই মন্তব্য রুদ্রনীলের। তিনি বলেন, "২০১৩ সালে শেষবার হাওড়া পুরসভায় নির্বাচন হয়েছিল। তারপর থেকে আর হাওড়ায় পুর নির্বাচন হয়নি। এরাজ্যের পুলিশ ট্রান্সফারের ভয়ে আর প্রমোশনের লোভে এদের কথা শুনে চলছে। দলদাস হয়ে কাজ করছে।"
এদিকে, রবিবার বিকেলে দলীয় পতাকা নিয়ে বামেরা বেলগাছিয়ায় পরিদর্শনে যান। লাল পতাকা নিয়ে অসহায়দের খোঁজখবর নিতে গেলেই তুমুল বচসা বাঁধে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, "কোনও রাজনৈতিক দল তাদের দলের ঝান্ডা নিয়ে এখানে আসেননি, আপনারা পতাকা নিয়ে এসেছেন কেন?" হাওড়ার বেলগাছিয়া ভাগাড়ে লাল ঝান্ডার সমর্থকদের এমনই প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
'দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে' রবিবার জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে একটি মিছিল ভাগাড়ে ঢুকলে স্থানীয়রা ক্ষোভ উগড়ে দেন। উভয়পক্ষের মধ্যেই বচসা শুরু হয়ে যায়। যদিও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। প্রসঙ্গত, বেলগাছিয়ায় বিপর্যয়ে হাওড়া পুরসভায় ভোট না হওয়াকেও দায়ী করছেন স্থানীয়দের একাংশ। স্থায়ী কোনও কাউন্সিলর না থাকাতেই তাদের উন্নয়নের দিকে কেউ নজর দেয়নি বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications