Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাংলার কত পর্যটক আটকে সিকিমে? ক্রমশ বাড়ছে দুশ্চিন্তা

মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর সিকিম। তিস্তা ধ্বংসলীলা চালিয়ে বয়ে চলেছে চারদিকে। আগামী ৪৮ ঘন্টা ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই বাড়ছে উদ্বেগ। বাংলার থেকে বহু পর্যটক সিকিম বেড়াতে যান। তারা অনেকেই সিকিমে ছিলেন। তাদের কী অবস্থা! বাংলার পর্যটকদের নিয়ে দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর থেকেই পাহাড়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে বাংলার পর্যটকদের। সিকিম বাঙালিদের অত্যন্ত পছন্দের জায়গা। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সিকিমের প্রায় সব জায়গাতেই পর্যটকদের ভিড় দেখতে পাওয়া যায়। শুধু হোটেল, রিসর্ট নয়, হোমস্টেগুলোতেও প্রচুর সংখ্যায় পর্যটক থাকেন। বাংলার পর্যটকদের নিয়েই চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে। কতজন গিয়েছিলেন সিকিম? কতজন সেখানে আটকে রয়েছেন? সেই তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

Sikkim Floods

গোটা ভারতবর্ষের সঙ্গেই সড়কপথে সিকিম এই মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি থেকে সিকিম পৌঁছতে একমাত্র ভরসা ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক পথ। সেই রাস্তা ভেঙে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে গিয়েছে। তিস্তা সব ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। বহু জায়গায় জাতীয় সড়কের কোনও অস্তিত্বই নেই। যোগাযোগ করা সম্ভব নয় সিকিমের সঙ্গে। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য যথেষ্ট সমস্যা হবে। বৃষ্টি না কমলে কিছুতেই উদ্ধারকাজ শুরু হবে না। এমনটাই অনুমান করা যাচ্ছে।

বাংলা থেকে বহু পর্যটক সিকিমে গিয়েছেন। তাদের কী অবস্থা, কোথায় তারা আছেন? তাই নিয়ে দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়ছে। ঠিক কত সংখ্যক পর্যটক সিকিমে আটকে রয়েছেন? তার নির্দিষ্ট সংখ্যা বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অনুমান করা হচ্ছে, হাজার খানেক পর্যটক গোটা সিকিমে আটকে থাকতে পারেন। সংখ্যা তার বেশিও হতে পারে। উত্তর সিকিমের সঙ্গে কোনও রকম যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। দুর্গত এলাকাগুলিতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়েছে। পর্যটকরা কোন পরিস্থিতিতে আছেন? তার কোন সন্ধান মিলছে না।

রাজ্যের পর্যটন দফতর এই বিষয়ে তথ্য তালাশ করছে। যেসব পর্যটক বুধবার সিকিম যেতেন তারা আটকে আছেন। এই রাজ্যেরও উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া অত্যন্ত দুশ্চিন্তাজনক। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পর্যটকদের নিরাপদ জায়গায় রাখার চেষ্টা চলছে। সিকিমে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা গিয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা কত? সেই সম্পর্কে কোনও তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে না।

বহু ছোট ছোট গ্রাম পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠে। উত্তর সিকিমেও একইভাবে এমন অনেক গ্রাম রয়েছে। সেই সব গ্রাম আদৌ অক্ষত রয়েছে কি? তাই নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন থাকছে। রাক্ষুসের রূপ নিয়ে তিস্তা সব কিছু ভেঙে গুড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তার জলস্রোতে খরকুটোর মতো বাড়ি ঘরের অংশ ভাসছে। অসংখ্য কাঠের টুকরো দলা হয়ে ঘুরছে নদীবক্ষে। কাদার মধ্যে আটকে রয়েছে একাধিক গাড়ির অংশ। জলের সঙ্গে ভেসে যাচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার, বাড়িঘরের আসবাবপত্র। সেই সব দেখেই আশঙ্কা আরো ঘনীভূত হচ্ছে। তাহলে কি উপরের গ্রামগুলির আর অস্তিত্বই নেই?

সিকিমকে সাহায্য করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ হাত বাড়িয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। নবান্নে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিলে প্রয়োজনে সেনা নামানো হবে। এ কথাও শোনা যাচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+