২৫ হাজারেরে বেশি শিক্ষকের চাকরি বাতিল, দুর্নীতি আর রাজনীতির গেরোয় কী শিকেয় উঠবে স্কুলের পড়াশোনা?
ভোটের মুখে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের প্যানেল ধরে বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বাতিল ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষকের। দুর্নীতির মোক্ষম জবাব দিল আদালত। ফায়দা হলে এক শ্রেণির রাজনৈতিক দলের।
কিন্তু এই দুয়ের জাতাকলে যাঁরা পিষে চলেছে বছরের পর বছর তাঁদের কী হবে। রাজ্যে সরকারি স্কুলগুলির এমনিতেই হাঁড়ির হাল। তার উপরে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এলো কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়। একের পর এক সরকারি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা সেই আগের মর্যাদা হারিয়ে ফেলেছে। সবটাই শাসক দলের কল্যাণে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

কিন্তু এতে সার্বিক ভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের। বেসরকারি স্কুলের ফি-র দাপটে গরিব-নিম্নবিত্ত এবং নিম্ন মধ্য বিত্ত পরিবারের একমাত্র ভরসা এই সরকারি স্কুল। তার মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আটকে রয়েছে রাজ্যের একাধিক স্কুলের নিয়োগ প্রক্রিয়া। তার জেরে অনেক প্রাথমিক স্কুলই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকের অভাবে চালানো যাচ্ছে না অনেক স্কুলই।
তার উপরে ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়ায় যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে তাতে আরও সংকট তৈরি হয়েছে রাজ্যের সরকারি স্কুল গুলিতে। ভোটের মুখে হাইকোর্টের এই রায় নিঃসন্দেহে রাজনীতির দাবা খেলায় এক প্রকার কিস্তি মাতের চাল বলা চলে। কিন্তু তাতে গভীর অন্ধকারে যেতে বসেছে রাজ্যের হাজার হাজার সরকারি স্কুলের ভবিষ্যত। বলা ভাল হাজার হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যত।
যাঁরা অর্থের জন্য বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করাতে পারেন না তাঁদের সন্তানদের। তাঁরা এবার কী করবেন। এসএসসি রায় নিয়ে যখন রাজনৈতিক চাপান উতোর তুঙ্গে তখন অভিভাবক থেকে পড়ুয়ারা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। অনেকটা সেই পুরোনো প্রবাদের মতো পরিস্থিতি হয়েছে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় আর উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। এখানে কে বা কারা রাজা আর উলু খাগড়া কারা সেটা আলাদা করে বোঝানোর নিশ্চই প্রয়োজন নেই।
কিন্তু কী হবে এর পরের পরিস্থিতি। এখন তো গরমের ছুটি চলছে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে। গরমের দাপটে তাঁদের কঠিন পরিস্থিতি। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির সঠিক শাস্তি হয়েছে বলবেন সবাই কিন্তু কী হবে এই স্কুলগুলির আর পড়ুয়াদের। চরম অনিশ্চিত একটা ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে তারা।
এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রকাশ্যে এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। এদিকে পর্ষদের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে তাঁরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন। কিন্তু যতদিন এই মামলা চলবে ততদিন কীভাবে হবে পঠনপাঠন।
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications