সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কর্তাদের বিধানসভায় হাজিরার প্রয়োজন নেই! স্বস্তি দিয়ে জানাল হাইকোর্ট
নারদ মামলায় চার হেভিওয়েটের গ্রেফতারি সংক্রান্ত মামলায় এবং বিধানসভার অধ্যক্ষের একটি আরও সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামতে স্বস্তি পেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা।
কলকাতা হাইকোর্টের স্বস্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের। সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কর্তাদের বিধানসভায় হাজিরার প্রয়োজন নেই।

নারদ মামলায় চার হেভিওয়েটের গ্রেফতারি সংক্রান্ত মামলায় এবং বিধানসভার অধ্যক্ষের একটি আরও সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামতে স্বস্তি পেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। আপাতত সিবিআই এবং ইডি কে অধ্যক্ষের কাছে হাজিরা দিতে হবে না। নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা শেখর মন্থার।
তবে আগামীকাল শুক্রবার দুপুর ২টোর পর ফের এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে। ফলে মামলা কোনদিকে গড়ায় সেদিকেই তাকিয়ে সবপক্ষ।
উল্লেখ্য, নারদ মামলাতে তিন বিধায়ককে গ্রেফতার করে সিবিআই। গ্রেফতার করা হয়েছিল শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। আর এই বিষয়টি ঘিরেই তৈরি হয় সংঘাত। বিধানসভার অনুমতি না নিয়েই বিধায়কদের গ্রেফতার করেছে বলে দাবি বিধানসভার অধ্যক্ষের। শুধু তাই নয়, অনুমতি ছাড়া চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।
আর সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সিবিআই এবং ইডির আধিকারিকদের বিধানসভাতে তলব করেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন চার্জশিট এবং গ্রেফতারি সেই বিষয়ে জানতেই তলব করা হয়। কিন্তু পাল্টা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়ে দেয় যে অধ্যক্ষের এভাবে তলব করার এক্রিয়ার নেই।
এই বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও অধ্যক্ষকে জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। কিন্তু এরপরেও একাধিকবার তদন্তকারীদের বিধানসভায় ডেকে পাঠান অধ্যক্ষ। আর এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। বিচারপতি রাজা শেখর মন্থার এজলাসে এই সমস্ত মামলার শুনানি রয়েছে। যদিও আজ শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বিধানসভার অধ্যক্ষের দেওয়া চিঠি সমন নয়, নোটিশ। যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি।
আদালত এদিন সবপক্ষের বক্তব্য শুনে সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কর্তাদের বিধানসভায় হাজিরার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দেয়। যদিও মামলার শুনানি চলবে।
বলা প্রয়োজন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই গ্রেফতার করা হিওয় নারদা মামলাতে অন্যতম অভিযুক্ত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র। গ্রেফতার করা হয় শোভন চট্টপাধ্যায়। শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেফতারের খবর সামনে আসতেই সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল ধনখড় গ্রেফতারিতে সবুজ সঙ্কেত দেন। আর তা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। যদিও রাজ্যপালের এই বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার এক্তিয়ার আছে কিনা প্রশ্ন ওঠে। আর এর মধ্যেই বিধানসভার অধ্যক্ষের নোটিশ ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক।
চলে একের পর এক মামলা। যদিও এখনও এই বিতর্ক শেষ হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications