Heat Wave: তাপপ্রবাহের মাঝেই খুলছে স্কুল, ছোটদের সুস্থ রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ, জেনে নিন কী বলছেন চিকিৎসকরা
অধিকাংশ স্কুলেই নতুন সেশন শুরু হয়ে যাচ্ছে এপ্রিল মাস থেকে। চলতি সপ্তাহেই অনেক স্কুল খুলে গিয়েছে। আবার অনেক স্কুল খুলবে আগামী সপ্তাহ থেকে। তার মধ্যেই এই তীব্র গরম। ছোট ছোট শিশু-কিশোররা কীভাবে সামাল দেবে এই গরম।
তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে আবার লু বইবে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকাল থেকেই অনেক জেলাতেই তাপমাত্রার পারদ ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিেত স্কুলে কীভাবে পড়াশোনা করবে ছোট ছোট পড়ুয়া। যেকোনও সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। এই গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে শুরু করে সানস্ট্রোক পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার গরমের ছুটি এগিয়ে দিলেও বেসরকারি স্কুলগুলি কিন্তু কোনও নির্দেশিকা এখনই জারি করেনি।
যদিও গরমের তীব্রতা বাড়লে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়ে যায়। কিন্তু এখনও েতমনও কোনও নির্দেশিকা কোনও স্কুল চালু করেনি। কাজেই নির্ধারিত সময়েই হচ্ছে স্কুল। কিন্তু এই তীব্র গরমে কীভাবে তারা স্কুল করবে তা নিয়ে চিন্তায় অভিভাবকরা। কারণ গরমে স্কুলে দৌড়া দৌড়ি করবে তাঁরা। পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাবে না। তারপরে গরমে দৌড়াদৌড়ি করেই চিলড ওয়াটার খাবে। তাতে আরও শরীর খারাপের সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শিশুদের কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা। চিকিৎসকরা বলছেন এই গরমের মধ্যেও যেসব শিশু-কিশোররা স্কুলে যাচ্ছে তাঁদের শরীরে পর্যাপ্ত জল যেন থাকে সেকথা মাথায় রাখতে হবে অভিভাবকদের। স্কুলে যদি তাঁরা জল এবং গ্লুকোজ পর্যাপ্ত পরিমানে না পান করে তাহলে বাড়িতে যেন পর্যাপ্ত জল এবং গ্লুকোজ তারা পান করতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
সেই সঙ্গে কোনও রকম বাইরের খাবার খেতে দেওয়া যাবে না বিশেষ করে জাঙ্ক ফুড যেন তাঁরা না খায় সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। রোদ থেকে এসেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খেতে দেওয়া যাবে না। হালকা সুতির পোশাক পরাতে হবে। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম যাতে তাদের হয় সেদিকেও নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে একাধিকবার স্নান করানোর পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
স্কুলের বাইরে খুব বেশি প্রোয়োজন না হলে যেন তাদের রোদে গরমে বাইরে বের করা না হয় অভিভাবকদের সেকথা জানাতে হবে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমানে সুষম আহার যেন তারা খেতে পারে সেদিকেও নজর রাখতে হবে। খুব রোদে একেবারেই বাইরে বের করা যাবে না শিশুদের এমনই পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications