রাজনাথের সঙ্গে বৈঠকের পরও গোর্খাল্যান্ডের দাবি! কী অবস্থান গুরুংদের
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বার্তায় কি পাহাড় সমস্যার সমাধান সূত্র মিলবে? আলোচনায় বসবে যুযুধান দুই পক্ষ। মোর্চা কিন্তু পুরনো অবস্থানেই অনড় থাকছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বার্তায় কি পাহাড় সমস্যার সমাধান সূত্র মিলবে? আলোচনায় বসবে যুযুধান দুই পক্ষ- তৃণমূল কংগ্রেস ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা? নাকি রাজনাথের বার্তা ফোঁপরা ঢেঁকির মতোই বেজে যাবে? কেউ কানেই তুলবে না সে কথা? ভবিষ্যৎই উত্তর দেবে তারা। কেননা রাজনাথের সঙ্গে বৈঠকের পরই ফের পুরনো অবস্থানেই অনড় থাকছে মোর্চা।
রাজনাথ সিং পাহাড়ে শান্তি স্থাপনের বার্তা দিলেও, মোর্চার মুখে এখনও গোর্খাল্যান্ডের নাম। এখনও মোর্চা নেতারা বলে চলেছেন, পাহাড় সমস্যার একমাত্র সমাধান হবে গোর্খাল্যান্ড হলেই। অন্যথায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান অসম্ভব। পাহাড়ের মানুষকে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলনের রাস্তা থেকে পিছু হটানো যাবে না।

গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান উপদেষ্টা স্বরাজ থাপা জানিয়েছেন, পাহাড়ের সমস্ত দল ও পাহাড়বাসীর এক ও একমাত্র দাবি গোর্খাল্যান্ড। যতক্ষণ না সেই দাবি মিটছে ধিকি ধিকি আগুন জ্বলতেই থাকবে। রবিবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেও আমাদের এই দাবির কথা জানিয়েছি। তিনি অনশন তুলে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। আমরাও জানিয়েছিল পাহাড়ের অন্য দলগুলির সঙ্গে কথা বলে আমরা অনশন তোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।
রাজনাথ সিং এই বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেমন আলোচনায় বসার আর্জি জানিয়েছেন, তেমনই মোর্চা নেতৃত্বকেও জানিয়েছেন আলোচনার মাধ্যমে পাহাড়ের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার। উল্লেখ্য, মোর্চা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও একপ্রস্থ আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে পাহাড় সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। উভয়পক্ষের মধ্যে মত বিনিময় হয়। তারপর মোর্চা-রাজনাথ বৈঠক হল। কিন্তু সদর্থক কোনও ভূমিকা এখনও নেওয়া হয়নি কোনও পক্ষের তরফেই। তিন পক্ষ এক জায়গায় হলেই তবে একটা সমাধানের রাস্তা বের হতে পারে। সেই চেষ্টাই চালাচ্ছেন রাজনাথ। কিন্তু সামনে এগিয়ে আসছেন না কেউ-ই।
মোর্চা নেতা স্বরাজ থাপা বলেন, 'গোর্খাল্যান্ড ছাড়া পাহাড়ে সমস্য মিটতে পারে না। কেননা একমাত্র গোর্খাল্যান্ড হলেই পাহাড়বাসী যথাযথ মর্যাদা পেতে পারেন। আমরা পাহাড়বাসীকে সেই মর্যাদার আসনেই দেখতে চাই। তাই আমাদের লড়াই চলছে। আগামী দিনেও চলবে।'












Click it and Unblock the Notifications