রাজ্যে চারটি নতুন উচ্চফলনশীল ধানের জাতের উদ্ভাবন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্যের কৃষি দপ্তর আবহাওয়া ও জলবায়ুর জটিলতার কথা মাথায় রেখে চারটি নতুন উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। বহু বছরের গবেষণা ও নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর রাজ্যের পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র ও চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্র যৌথভাবে এই সাফল্য অর্জন করেছে। উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী ও গবেষকদের প্রতি দপ্তর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছে।
নতুন প্রজাতিগুলির মধ্যে তিনটি 'সুভাষিণী', 'লছমন্তি' ও 'মুসাফির' বিশেষভাবে লক্ষ্য করেছে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো শুষ্ক ও খরাপ্রবণ জেলাগুলিকে। খরিফ মরসুমে এই জাতগুলি প্রতি হেক্টরে ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল পর্যন্ত ফলন দিতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ভোগা অঞ্চলগুলির জন্য তৈরি হয়েছে 'ইরাবতী'। দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন থাকলেও বা ঝড়ের দাপটে শিষ হেলে পড়লেও জাতটি ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়াই এর বিশেষত্ব।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই চারটি নতুন জাত যুক্ত হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের উদ্যোগে কৃষকদের জন্য গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫ টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টি ধানের জাত। কৃষি মহলের মতে, জলবায়ুর পরিবর্তনশীলতার সঙ্গে লড়াই করতে এ ধরনের উদ্ভাবন কৃষকদের ভবিষ্যতকে আরও নিরাপদ করছে।












Click it and Unblock the Notifications