বদলে যেতে পারে স্কুলের সময়, তাপপ্রবাহে জেরবার জেলাগুলির জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি স্কুল শিক্ষা দফতরের
তাপপ্রবাহে জেরবার দশা কলকাতা থেকে জেলা। দক্ষিণ বঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ এক ধাক্কায় ৪০ ডিগ্রির উপরে পৌঁছে গিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আবার পশ্চিমবর্ধমান, বাঁকুডা, পুরুলিয়া জেলায় জারি করা হয়েছে লু-র সতর্কতা। এই পরিস্থিতিতে স্কুলে পড়ুয়ারা যাচ্ছে না।
রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর অবশেষে অনুমতি দিয়েছে স্কুলের সময়সীমা বদলের। অর্থাৎ রাজ্যে স্কুলগুলি বেলার পরিবর্তে সকালে স্কুল করতে পারবে। গরমের কারনে স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও সময় বদল করতে পারছিল না স্কুলগুলি কারণ শিক্ষা দফতরের অনুমতি ছিল না।

গরমে জেরবার দশা হয়েছে গোটা রাজ্যের। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছলেও মনে হচ্ছে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে। গরমের কারণে বেলা বাড়লে বাড়ির বাইরে বেশি কেউ বেরোতে চাইছেন না। স্কুল গরমের ছুটির পরে খুললেও অনেক পড়ুয়াই গরমের কারণে স্কুলে আসছে না। দিনের বেলা অসহনীয় গরমে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় অভিভাবকরা তাঁদের বাইরে বেরোতে দিচ্ছেন না।
গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে এই আশঙ্কায় অভিভাবকরা সন্তানদের পাঠাচ্ছিলেন না স্কুলে। তাঁরা বারবার সকালে স্কুল করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছিলেন। কিন্তু শিক্ষা দফতরের অনুমতি না থাকায় স্কুল সকালে করা যাচ্ছিলন না বলে জানিয়েছিল জেলার স্কুলগুলি। ইতিমধ্যে শিক্ষা দফতরকে অনুরোধও জানিয়েছিল তারা। তারপরেই শিক্ষা দফতর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় যে তারা চাইলে সকালে স্কুল করতে পারে।
ভোটের কারণে এবার অনেকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় স্কুলে ছুটি ছিল। গরমের ছুটি শেষ করে সবে স্কুল খুলেছে তার মধ্যেই এই গরমের দাপট। আর ছুটি দেওয়া সম্ভব নয় কারণ সিলেবাস শেষ করতে হবে শিক্ষকদের। অনেক স্কুলে আবার পরের মাস থেকে পরীক্ষাও শুরু হয়ে যাবে। সেকারণে সকালে স্কুল করার কথা ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছে জেলার স্কুলগুলি।
আপাতত গরম থেকে রেহাই মিলছে না। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত গরমের দাপট বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সাময়িক ভাবে কয়েকটি জায়গায় ঝড়বৃষ্টি হলেও গরম কমার সম্ভাবনা নেই। এদিকে উত্তরবঙ্গ বর্ষার বৃষ্টিতে ভাসছে। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বর্ষা ঢোকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।












Click it and Unblock the Notifications