কমিশনের নজিরবিহীন পদক্ষেপ! চিকিৎসকরাও এবার ভোটের ডিউটিতে, চাকরিহারা শিক্ষকদের নিষেধাজ্ঞা, কড়া নির্দেশ EC-র
ভোটের দায়িত্ব বন্টন নিয়ে নির্বাচন কমিশন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করেছে। স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগে যে সমস্ত শিক্ষকরা চাকরি হারিয়েছেন তাঁদের কোনওভাবেই ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, যাঁরা 'দাগি' হিসেবে চিহ্নিত রয়েছেন, ভোট সংক্রান্ত কোনও দায়িত্বই তাঁদেরকে দেওয়া যাবে না। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে যে, ইতিমধ্যেই এরকম শিক্ষকদের ভোটের ডিউটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে কমিশনের ব্যাখ্যা যে, পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে নাম উঠে আসার কারণে এরকম সমস্যা তৈরি হয়েছে, তবে খুব তাড়াতাড়ি তা সংশোধনও করা হচ্ছে।
এদিকে আবার, এবারের কমিশন ভোটে এক নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোটের কাজের জন্য সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদেরও যুক্ত করা হচ্ছে। বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের নামে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবেও নিয়োগপত্র পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে যে, আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অন্তত ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের দায়িত্বে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এই তালিকায় বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকরাই রয়েছেন।
তবে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ সরকারি হাসপাতালগুলোতে এমনিতেই রোগীর চাপ সবসময়ের জন্য বেশি থাকে। চিকিৎসকরা যদি ভোটের কাজে যুক্ত হয় তাহলে পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও কমিশনের দাবি যে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মাধ্যমেই এই দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে। এছাড়াও কমিশন আরও জানিয়ে দিয়েছে যে, যে সমস্ত কর্মীরা চুক্তিভিত্তিক রয়েছেন তাঁদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। তবে, সেই নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগও সামনে এসেছে। আর এই ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে।
ভোটের ডিউটি ঘিরে নির্বাচন কমিশনের একের পর এক সিদ্ধান্ত নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications