কৃষিক্ষেত্র থেকে সোজা মহাকাশ! স্বপ্নের জগতে পাড়ি দিচ্ছেন কোচবিহারের ময়ূরাক্ষী
কোচবিহারের মেয়ে ময়ূরাক্ষী এবার পাড়ি দিচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোতে। কৃষি ক্ষেত্র থেকে সোজা মহাকাশ। এ যেন এক স্বপ্নের জগতে পাড়ি দিচ্ছে কোচবিহারের সোনার মেয়ে ময়ূরাক্ষী। কৃষি নিয়ে গবেষণা করতে করতেই ইসরোতে সুযোগ। কোচবিহারের দিনহাটা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ময়ূরাক্ষীর জয়জয়কার।
ভাটনগর পুরস্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী কনক সাহার নাম সকলের চেনা। কোচবিহার জেলার দিনহাটার নাম আন্তর্জাতিক মঞ্চে ছড়িয়ে পড়েছিল তার হাত ধরেই। এবার তার যোগ্য উত্তরসূরী হয়তো হয়ে উঠবে ময়ূরাক্ষী চন্দ। সারা দেশে চারজনের মধ্যে ময়ূরাক্ষীকে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো বিজ্ঞানী হিসেবে নিযুক্ত করছে।

২০১৪ সালে দিনহাটা গার্লস হাই স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় সে। বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে নিউ দিল্লি ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে মাটি নিয়ে গবেষণা করেন তিনি। শেষ করেন এমএসসি।
তবে কৃষি ক্ষেত্র নিয়ে যার বিচরণ তার ইচ্ছে ছিল অজানা নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধানে জ্ঞান আহরণ করার। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ইস্রতে আবেদন করেন তিনি। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সারা দেশ থেকে কুড়ি জনকে বাছাই করবার জন্য মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। এই খবর শুনে খুশির হাওয়া তার পরিবার এবং প্রতিবেশী মহলে।
ময়ূরাক্ষী বাবা বলছেন মেয়ে বরাবর পড়াশোনায় ভালো। তিনি শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। ময়ূরাক্ষীর মা নার্স। বাবা মায়ের সাহচর্য ছাড়াই একপ্রকার এগিয়ে গিয়েছে ময়ূরাক্ষী। তাই তার সাফল্যের সমস্ত ক্রেডিট তাকেই দিতে চায় বাবা-মা। ইসরোর ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারে বিজ্ঞানী হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন এমনটাই জানান ময়ূরাক্ষী। ভবিষ্যতে অজানা নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান করে দেশকে মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিশা দেখাতে চান।












Click it and Unblock the Notifications