সোনালীর মতো অনেকের তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা, বিজেপিতে যোগদানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
প্রকৃত সৈনিকরা সবসময়ই লড়াইয়ে থাকেন। আর নির্বাচনের আগে যাঁরা বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে যাঁরা বিজেপিতে (bjp) যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের আসা-যাওয়ায় সংগঠনের কোনও ক্ষতি হবে না। এদিন সোনালী গুহের (sonali guha) তৃণমূলে (trinamoo
প্রকৃত সৈনিকরা সবসময়ই লড়াইয়ে থাকেন। আর নির্বাচনের আগে যাঁরা বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে যাঁরা বিজেপিতে (bjp) যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের আসা-যাওয়ায় সংগঠনের কোনও ক্ষতি হবে না। এদিন সোনালী গুহের (sonali guha) তৃণমূলে (trinamool congress) যোগ দেওয়া ইচ্ছা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) চিঠি দেওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই বলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh)।

তৃণমূলে টিকিট না পেয়েছে দল ছেড়েছিলেন
প্রসঙ্ত উল্লেখ্য এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে সেই তালিকায় নিজের নাম না দেখে কেঁদে ভাসিয়েছিলেন সোনালী গুহ। তারপরেই তিনি দল ছাড়েন। হেস্টিংসের অফিসে গিয়ে তিনি বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন।

বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
এদিন সোনালী গুহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর কাছে দিদির ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন বিজেপির নেতারা। কোনও কথা বললে তাতে কুৎসা করতে হত তাঁকে। কিন্তু তাঁর পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। তিনি দিদির কোনও খারাপ দিক জানেন না। তিনি বিজেপিতে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। সোনালী গুহ দাবি করেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে মুকুল রায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কী চান। তবে তিনি টিকিট কিংবা টাকা কিছুই চাননি বলে জানিয়েছেন। এদিন সোনালী গুহ টুইট করে বলেছেন, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দলে গিয়েছিলেন। মাছ ছাড়া জল যেমন বাঁচতে পারে না, ঠিত তেমনই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়া বাঁচতে পারবেন না।

দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ
এদিন সোনালী গুহ দল ছাড়ার কথা জানালেও একই দিনে বিজেপিতে যোগ দেওয়া দীপেন্দু বিশ্বাস আগেই বিজেপি ত্যাগের কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, দিদি বললে তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন। এদিন এই দলবদল নিয়ে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, অনেকে অনেক উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেসব পূরণ হবে না বুঝতে পেরে চলে যাচ্ছেন। এঁরা লড়াই করতেই ভয় পাচ্ছেন।
বিজেপির এই দলবদল নিয়ে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেননের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। কেননা রাজ্যে নেতাদের অনেকেই বলছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা না বলে কেন্দ্রীয় নেতারা যোগদান মেলা করেছিলেন। এই মুহুর্তে তাঁদের কেউই এই রাজ্যে নেই। আর দলে এসে যাঁরা প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছেন, তাঁরা বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। এইধরনের নেতারা দলে থাকা আর না থাকা সমান বলেও মন্তব্য করেছেন রাজ্য বিজেপির একাংশের নেতারা।

যাঁরা এখন আছেন, তাঁরা আগামীতেও থাকবেন
এই দলবদলে কি সংগঠনে ধাক্কা লাগবে না, সংবাদ মাধ্যমের এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, জেলায় জেলায় আক্রান্ত কর্মীদের পাশে যাঁরা থাকার, তাঁরা রয়েছেন, আগামী দিনেও থাকবেন।












Click it and Unblock the Notifications