Dilip Ghosh: মানুষের ক্ষতি করে রাজনীতি করলে সাজা পাওয়া উচিত, সিঙ্গুর প্রসঙ্গে দাবি দিলীপ ঘোষের
সাজা পাওয়া উচিত। বাংলা থেকে টাটার কারখানা চলে যাওয়া প্রসঙ্গ এখন টগবগ করে ফুটছে। ৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বাংলার সরকারকে। তাই নিয়েও শুরু হয়ে জোর জল্পনা৷ তার মধ্যেই ফের তুমুল সমালোচনায় দিলীপ ঘোষ। সাজা পাওয়া উচিত। এই কথাই জোর গলায় দাবি করেছেন খড়গপুরের সাংসদ।
মঙ্গলবারও তিনি টাটা প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের তুমুল সমালোচনা করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য রাজ্য থেকে টাটারা চলে গিয়েছে। রাজ্যের শিল্প সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমনই দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। বুধবার তিনি সিপিএমকেও ওই ঘটনায় দোষ দিয়েছেন।

তিন ফসলী, দুই ফসলী উর্বর জমি নেওয়া হয়েছিল সিঙ্গুরে। এই নিয়েই শুরু হয় ইচ্ছুক ও অনিচ্ছুক চাষিদের দ্বন্দ্ব। সেখানেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন শুরু হয়। ৪০০ একর জমি ফেরত দিতে হবে। সেই নিয়ে আন্দোলন জোরদার হয়। একসময় ন্যানো কারখানা চালু না করেই রাজ্য থেকে বিদায় নেন রতন টাটা। তারপর থেকেই রাজ্যে শিল্প সম্ভাবনা তলানিতে চলে এসেছে। এমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।
বুধবার সকালে খড়গপুরের চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ফের উঠে আসে টাটা প্রসঙ্গ। এদিন দিলীপ ঘোষ সিপিএম ও তৃণমূল দুই দলকেই দোষারোপ করেছেন। টাটা শিল্পগোষ্ঠীকে চাষযোগ্য জমি দিয়ে ভুল করেছিল সিপিএম। দুই ফসলী, তিন ফসলী জমি টাটাকে দিয়ে দেওয়া মোটেই ঠিক হয়নি। এমনটাই তিনি মনে করেন।
তবে কোনওভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনকে সমর্থন করেন না দিলীপ ঘোষ। কারখানা প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছে। উৎপাদন শুরু হওয়ার অপেক্ষা। সেইসময় রাজনীতি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কারখানা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন এই আন্দোলনের পরে৷ কিন্তু টাটা চলে যাওয়ার জন্য এই রাজ্যের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে।
বাংলায় তৃণমূল জমানায় ঠিক কটা শিল্প হয়েছে? সেই নিয়ে অনেক প্রশ্ন, তর্ক- বিতর্ক রয়েছে। আগামী দিনে কত শিল্প আসবে? বিনিয়োগ হবে? সেই নিয়েও অনেক তর্ক থাকবে। এই দিলীপ ঘোষ বলেন, সাজা পাওয়া উচিত। বাংলার মানুষের সর্বনাশ করে যারা রাজনীতি করেন, তাদের সাজা পাওয়া উচিত।
৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ টাটাকে দিতে হবে। রাজ্য সরকার ট্রাইবুনালের এই রায় নিয়ে আদালতে যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট অথবা হাইকোর্টে আবেদন করতে পারে নবান্ন। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কথাকেই সমর্থন করেছেন দিলীপ ঘোষ।
সাধারণ মানুষের করের টাকায় এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে না। তৃণমূলকে দলের টাকায় এই ক্ষতিপূরণ টাটাদের দিতে হবে। দিলীপ ঘোষ মনে করেন, আজ না হয় আগামী কাল এই ক্ষতিপূরণ রাজ্যকে দিতেই হবে।












Click it and Unblock the Notifications