সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছল ডিএ মামলা! পঞ্চায়েত ভোটের আগে কি হবে শুনানি, উঠছে প্রশ্ন
রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ এদিন দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেছিলেন দিল্লিতে থাকার সময় ডিএ মামলা নিয়ে শুনানি হবে। কিন্তু এদিনও পিছিয়ে গেল ডিএ মামলা। ২৪ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।
ডিএ-র দাবিতে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে তারা আন্দোলন করছেন। তার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে এদিনের শুনানি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন বেলা বারোটায় বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা ওঠার কথা ছিল। আইটেম নম্বর ছিল ৩৭। যদিও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

এর আগেও সুপ্রিম কোর্টে বারে বারে পিছিয়ে গিয়েছে ডিএ মামলার শুনানি। কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে প্রায় চারমাস আগে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করেছিল রাজ্যের সরকারি কর্মীদের সংগঠন। ডিএ মামলার প্রথম শুনানির দিন ছিল ৫ ডিসেম্বর। কিন্তু সেদিন শুনানি হয়নি।
এরপরেও ডিএ নিয়ে পাঁচবার শুনানি পিছিয়ে গেল মঙ্গলবার ধরে। জানুয়ারির পরে ১৫ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েও সেদিন শুনানি হয়নি। তারপর ২১ মার্চও শুনানি পিছিয়ে যায়। সেদিনই ১১ এপ্রিল ধার্য করা হয় শুনানির জন্য। তারপরে এদিন পিছিয়ে গেল ডিএ নিয়ে শুনানি।

গত বছরের ২০ মে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ৩ মাসের মধ্যে সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। সেই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দাখিল করলেও তা খারিজ করে দেয় হাইকোর্টেপ ডিভিশন বেঞ্চ। তারপর সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে রাজ্য সরকার। রাজ্য বলে এই হারে ডিএ জিতে গেলে ৪১৭৭০ কোটি টাকা খরচ হবে।
রাজ্যের বিরোধীরা বলছে সরকার ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকার অভারের কথা বললেও, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ-র মামলা সামলাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। এবং শুনানির দিন পিছিয়ে দিচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে ডিএ নিয়ে আদৌ কি শুনানি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।












Click it and Unblock the Notifications