ভোটযুদ্ধে তৃণমূলের প্রচারে ঝড় তুলতে মঙ্গলে উত্তরে মমতা, দক্ষিণে অভিষেক
রাজ্য জুড়ে ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে, প্রার্থীতালিকাও চূড়ান্ত। রাজ্যজুড়ে এখন একটাই ছবি প্রচারের উত্তাপ ক্রমশ চড়ছে। এই আবহেই আগামী মঙ্গলবার থেকে একসঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে ঝড় তুলতে নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
দলের কৌশল স্পষ্ট রাজ্যের দুই প্রান্তে একযোগে প্রচার চালিয়ে সংগঠনকে চাঙ্গা করা। উত্তরে নিজে নেতৃত্ব দেবেন মমতা, আর দক্ষিণের ময়দানে নামবেন অভিষেক।

প্রচারের আগে প্রস্তুতিপর্বও জোরকদমে। ভবানীপুরে কর্মীসভা দিয়ে কার্যত ময়দানে নামছেন মমতা। চেতলার সভা থেকেই কর্মীদের বার্তা পৌঁছে দেবেন তিনি। সেখান থেকে সরাসরি উত্তরবঙ্গের পথে রওনা হয়ে ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে বড় জনসভা দিয়ে শুরু হবে তাঁর প্রচারযাত্রা। একই দিনে মাটিগাড়া ও ময়নাগুড়িতেও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।
অন্যদিকে, একই দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় প্রথম জনসভা দিয়ে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক। পরদিন তাঁর গন্তব্য নন্দীগ্রাম, যেটি রাজ্যের সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক মঞ্চের একটি। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের সমর্থনে সভা করে তিনি সরাসরি লড়াইয়ে ঝাঁপাবেন।
ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে এই লড়াই শুধু আসন দখলের নয়, প্রভাব বিস্তারেরও। উত্তরবঙ্গ, যা একসময় বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত ছিল, সেখানে সাম্প্রতিক নির্বাচনে জমি কিছুটা পুনরুদ্ধার করেছে তৃণমূল। তাই প্রচারের শুরুতেই উত্তরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন মমতা।
অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও একের পর এক সভা, রোড শো ও কর্মী সংযোগের মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে মরিয়া অভিষেক। শোনা যাচ্ছে, মার্চের শেষ সপ্তাহেই উত্তরবঙ্গের একাধিক কেন্দ্রে রোড শো করবেন তিনি।
হাতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ। তার পরই দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই কর্মীদের উজ্জীবিত করা ও ভোটারদের কাছে পৌঁছনো, এই দুই লক্ষ্য নিয়েই উত্তর থেকে দক্ষিণে একযোগে মাঠে নামছে তৃণমূল।
রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ গড়ে তুলতে ডাবল ইঞ্জিন প্রচারে ভরসা রাখছে ঘাসফুল শিবির, যেখানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মমতা ও অভিষেক, দুই প্রজন্মের দুই মুখ।












Click it and Unblock the Notifications