অধীর বিদায়ে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়বে সিপিএম-কংগ্রেসের? বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূল সমীকরণ?
বহরমপুরে নিজের রাজ্যপাঠ নির্বাচনে হেরে খুঁইয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। একমাত্র প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ টিঁকেছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে সেই দায়িত্ব থেকেও মুক্তি পেলেন অধীর। প্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাহলে কি বঙ্গে এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা দেবে? এই প্রশ্ন এখন আরও চর্চায়।
অধীর চৌধুরীকে সরিয়ে তাহলে কি নতুন বার্তা দিল কংগ্রেস হাই কমান্ড? আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের সুসম্পর্কের কথা অজানা নয়। তাহলে কি সেই সম্পর্কে এবার ছেদ পড়ছে? নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা যাবে বঙ্গ রাজনীতিতে? সেই জল্পনা আরও উসকে যাচ্ছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বরাবর সওয়াল তুলেছেন অধীর চৌধুরী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একতরফা আক্রমণ এখনও করে চলেছেন অধীর চৌধুরী ও তাঁর অনুগামীরা। বামেদের, বিশেষ করে সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে অধীর চৌধুরীর সম্পর্ক এখন অনেকটাই সুমধুর। কিন্তু কংগ্রেস হাইকমান্ড জোট রাজনীতিতে তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্কে রয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্য রাজনীতিতে বরাবর তৃণমূল আক্রমণ প্রতি আক্রমণ চলেছে।
রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, জয়রাম রমেশরা বরাবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে সুর নরম করেন। সেক্ষেত্রে অধীর চৌধুরী ও প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে কংগ্রেস হাইকমান্ডের কিছুটা টানাপোড়েন থেকেছে। এমন শোনা গিয়েছে ভোটের আবহে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে লড়েছেন অধীর চৌধুরীরা। কিন্তু কংগ্রেসের খুব একটা ভালো ফল বঙ্গে দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাংলায় খুব একটা বেশি প্রচারেও আসেননি।
এক্ষেত্রে অধীর চৌধুরীর পদ যাওয়া কি বিশেষ বার্তা বহন করছে? এবার কি তাহলে তৃণমূলের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের সম্পর্কের উন্নতি হবে? নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ দেখা যাবে বঙ্গ রাজনীতিতে? বিধান ভবন ও আলিমুদ্দিনের দূরত্ব আরও বাড়বে?
শুভঙ্কর সরকার এবার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেসের। তিনি রাজনৈতিকভাবে কিছুটা নরমপন্থী। সেক্ষেত্রে হাইকমান্ড যে নির্দেশ দেবেন, সেদিকেই ঘুরবেন কি তিনি? সেই চর্চাও চলছে।












Click it and Unblock the Notifications