আলিমুদ্দিনের 'নির্দেশ', শর্ত মানতে প্রবীণ সিপিএম নেতারাও ছুটছেন ভ্যাকসিন নিতে
শুক্রবার ২৭ অগাস্ট সারা দেশে এক কোটি মানুষ ভ্যাকসিন করোনা (coronavirus) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভ্যাকসিন (vaccine) নিয়েছেন। তবে অনেকের মধ্যেই এখনও ভ্যাকসিন নিতে অনীহা রয়েছে। এই তালিকায় বাদ নেই বামপন্থীরাও। তবে দলের সম্মেলন
শুক্রবার ২৭ অগাস্ট সারা দেশে এক কোটি মানুষ ভ্যাকসিন করোনা (coronavirus) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভ্যাকসিন (vaccine) নিয়েছেন। তবে অনেকের মধ্যেই এখনও ভ্যাকসিন নিতে অনীহা রয়েছে। এই তালিকায় বাদ নেই বামপন্থীরাও। তবে দলের সম্মেলন সারতে গেলে কোভিডি বিধি মান্য করেই তা করতে হবে। সেই পরিস্থিতিতে ৪৫ বছরের ওপরের বয়সের সবার টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করল আলিমুদ্দিন।

করোনা আবহেই সিপিএম-এর সম্মেলন
গত মার্চ থেকে দেশে শুরু করোনা লকডাউন। তারপর ধাপে ধাপে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে বিভিন্ন রাজ্য। কোনও রাজ্যে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে সেই রাজ্যের ভিত্তিতে সেখানকার মতো করে লকডাউন করা হচ্ছে। সামনে তৃতীয় তরঙ্গের ভয়ও রয়েছে। গতবার করোনা পরিস্থিতির কারণে দলীয় সম্মেলন না হলেও, এবার তা করতে হবে। সম্মেলন একবছর পিছিয়ে দেওয়ার পরে এবার তা করে ফেলতে চাইছে সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে তা কীভাবে সম্ভব তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির মতো অনেকেই।

কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় আলিমুদ্দিন
প্রায় চারমাস আগে রাজ্যে শূন্যে নেমেছে সিপিএম। কেন শূন্য তা নিয়ে কাটা-ছেঁড়া হয়েছে। কারণ বের হয়েছে। রাজ্য নেতৃত্ব ভুল স্বীকার করেছে। সেই পরিস্থিতিতে দলীয় সম্মেলন আর ফেলে রাখতে রাজি নয় আলিমুদ্দিন। দ্রুত তা সেরে ফেলতে চায় তারা। তবে সব জায়গাতেই করোনা বিধি মেনে সম্মেলন করতে হবে। শাখা থেকে রাজ্যস্তরের সম্মেলন সম্পূর্ণ করতে আলিমুদ্দিনের তরফে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক
আলিমুদ্দিনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সম্মেলনে যোগ দিতে গেলে নেতা-কর্মীদের টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক। ৪৫ ওপরে বয়স হলে দুটো টিকা অবশ্যই নিতে হবে। আর ৪৫ নিচে বয়স হলে একটি টিকা অবশ্যই নিতে হবে। টিকা নেওয়া না থাকলে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে অনেক নেতা-সদস্য ছুটছেন ভ্যাকসিন নিতে। নির্দেশিকায় সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মাস্ক যেমন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, অন্যদিকে প্রত্যেক বক্তার বক্তব্য শেষে পোডিয়াম স্যানিটাউজ করার কথাও বলা হয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা মানতে গেলে নির্দেষ্ট সময়ের মধ্যে সম্মেলন শেষ করা সম্ভব পর নয় বলেও মনে করেছেন দলের সদস্যরা।

কী ভাবে বড় জায়গা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে চিন্তা
তবে করোনা বিধি মানতে গেলে কীভাবে বড় জায়গার ব্যবস্থা করে সম্মেলন করা সম্ভব তা নিয়ে সিপিএম-এর অভ্যন্ত প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে। কেননা একএকটি জেলার সম্মেলনে ৪০০ থেকে ৫০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। তাঁদেরকে নির্দিষ্টদূরত্ব বিধি মেনে বসাতে গেলে যে জায়গায় প্রয়োজন তা অনেক জায়গাতেই নেই। আর দূরত্ব বজায় থাকলে কি গোপনীয়তা বজায় থাকবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জেলা সম্মেলনের পরে রাজ্য সম্মেলন শেষ করে সামনের এপ্রিলে কেরলের কান্নুরে হবে সিপিএম-এর পার্টি কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications