গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট কমতেই ফের একবার রাজ্যে কমল করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা
করোনা পরীক্ষা কম করছে রাজ্য! পুজোর পর থেকই অনেকটাই কম হচ্ছে টেস্ট। এই মর্মে গত ২৪ ঘন্টা আগেই রাজ্যকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আর এই চিঠি পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ফের একবার করোনা পরীক্ষার সংখ্যা কমল রাজ্যে
করোনা পরীক্ষা কম করছে রাজ্য! পুজোর পর থেকই অনেকটাই কম হচ্ছে টেস্ট। এই মর্মে গত ২৪ ঘন্টা আগেই রাজ্যকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আর এই চিঠি পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ফের একবার করোনা পরীক্ষার সংখ্যা কমল রাজ্যে। ফলে সংক্রমনের সংখ্যা নিয়ে একটা উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। তবে ওই চিঠি পাওয়ার পরেই স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সংক্রমণ কম থাকায় করোনা পরীক্ষা কমেছে।

করোনা সংক্রমণ
আর এই বিতর্কের মধ্যে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে যে মেডিক্যাল বুলেটিন দেওয়া হয়েছে তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির ছবি। বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় কিছুটা হলেও কমেছে সংক্রমণ। আক্রান্ত মাত্র ৭৫৮ জন। যেখানে বুধবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮০৩। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬ লক্ষ ১২ হাজার ৭৪১ জন।

জেলার ছবিটা এক নজরে
অন্যদিকে কলকাতা সহ বেশ কয়েকটি জেলাতেও বুধবারের তুলনায় আজ সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। আজ কলকাতায় মোট সংক্রমণ ২১৫ জন। বুধবার কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০ এর কাছাকাছি। সংক্রমনের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নর্থ ২৪ পরগনা। আক্রান্ত ১৪১ জন। তবে নজিরবিহীন ভাবে সংক্রমনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে চলে এসেছে হুগলি। ২৪ ঘন্টায় এই জেলায় আক্রান্ত ৬৫ জন।

কমেছে টেস্টের সংখ্যা
গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমার অন্যতম কারণ হল টেস্ট। বুধবারের তুলনায় আজ বৃহস্পতিবার অনেকটাই কমেছে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা। বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার করোনা পরীক্ষা হয়েছে 37,031টি। কিন্তু গতকাল বুধবার মোট 39,019 জনের করোনা পরীক্ষা হয়। গত কয়েকদিন আগেই করোনা পরীক্ষা হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্র। এই মর্মে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে চিঠিও দেয় কেন্দ্র।

মৃতের সংখ্যা
বুধবারের তুলনায় কিছুটা হলেও কমল করোনাতে মৃতের সংখ্যা। একদিনে রাজ্যে করোনাতে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৩০ জন। এদিন কলকাতা, দুই ২৪ পরগনাতে দুই জন করে মৃত্যু হয়েছে। আর হুগলি জেলাতে করোনাতে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম-হাসপাতালগুলি
রাজ্যে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে। মোটামুটি এক হাজারের মধ্যেই সংক্রমণ আটকে রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে সমস্ত সেফ হোম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে। শুধু তাই নয়, সরকারি হাসপাতালগুলিকেও করোনা জন্যে আটকে রাখা বেড কিংবা ওয়ার্ড খুলে দিতে বলা হয়েছে সাধারন রোগীদের জন্যে। তবে প্রত্যেক জেলাতে একটি কিঙ্গা দুটি করে সেফ হোম কিংবা সরকারি হাসপাতাল করোনা রোগীদের জন্যে বরাদ্দ থাকছে।












Click it and Unblock the Notifications