Coochbehar: মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে 'মার' তৃণমূল কর্মীর! হাসপাতালে 'আক্রান্ত' ছাত্রী
Coochbehar: কোচবিহারের দিনহাটায় মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ। কাঠগড়ায় তৃণমূলের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী-সহ তার পরিবারের লোকজন। মাধ্যমিকের তিনটি পরীক্ষা মিটেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ভাষা ছাড়া অঙ্ক পরীক্ষা হয়েছে। সোমবার রয়েছে ইতিহাস পরীক্ষা। আর তার আগেই আক্রান্ত পরীক্ষার্থী দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কোচবিহার জেলার দিনহাটার ওকড়াবাড়ির কাউরাই এলাকার ঘটনা। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর নাম তসলিমা খাতুন। শনিবার রাতে সেখানে তারস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। মাইক বাজানোর অভিযোগ এই এলাকারই তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী পিংকু খন্দকারের বিরুদ্ধে। সে নিজেও তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। বাড়ির পাশেই এত জোরে মাইক বাজায় পড়াশোনায় অসুবিধা হচ্ছিল পরীক্ষার্থীর।

এরপরই মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করতে যায় তসলিমা ও তার পরিবার। পিঙ্কুকে আপত্তির কথা জানালে সে উল্টে কথা কাটাকাটি শুরু করে। বচসা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে ওই তৃণমূল কর্মী পরীক্ষার্থী ও তার পরিবারের উপর ছুরি নিয়ে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এরপর ছাত্রীকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাড়াও করেন বলে অভিযোগ। ছাত্রীকে কোপ মারার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি। এদিকে ছাত্রীর চিৎকার শুনে সকলে জড়ো হয়ে যাওয়ায় পিছু হঠতে বাধ্য হয় পিঙ্কু।
গোটা ঘটনায় মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তসলিমা। ইতিহাস পরীক্ষার আগের দিন দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। সূত্রের আরও খবর, ওইদিন ওই এলাকায় কোনও অনুষ্ঠান ছিল না। তবুও তারস্বরে মাইক বাজানো হয়। খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের এহেন আচরণে অবাক হয়ে যায় তসলিমা। অভিযোগ করলে সুরাহা হবে এই আশাতেই মাইক বন্ধের আর্জি জানাতে যায় ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।
এদিকে, গোটা ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা। পারিবারিক সমস্যার জেরে হাসপাতালে ওই পরীক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। ঘটনাস্থলে ছিলেনই না বলে দাবি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা ও তাঁর স্বামীর। ওই পঞ্চায়েত সদস্যা বলেন, "বাড়িতেও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী আছে, আমরা কীভাবে বাজাব।"
মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন জেলা প্রশাসনের নির্দেশের পরেও তৃণমূল কর্মীর এই ক্রিয়াকলাপে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই এরকম ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও ঘটনা প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করে বিজেপি। তৃণমূল নেতার এইরূপ কার্যকলাপকে নক্কারজনক ঘটনা বলে দাবি বিজেপির।












Click it and Unblock the Notifications