Ram Navami: মালদহে রামনবমীতে শরিক মুসলিমরাও, হিন্দুদের জল-মিষ্টিমুখ; কলকাতায় কুণালের শোভাযাত্রায় সংখ্যালঘুরা
Ram Navami Harmony: রামনবমীর বাংলায় সম্প্রীতির ছবি। রাজনীতির স্বার্থে ধর্মযুদ্ধে মেতেছে বিভিন্ন দল। কিন্তু ধর্মান্ধতা থেকে দশ হাত দূরে সরে মালদহে দেখা গেল সম্প্রীতির ছবি। ধর্মীয় উৎসবে অশান্তি নয়, সম্প্রীতিতেই আস্থা রাখল মালদহ শহর। রামনবমীতে হিন্দুদের শোভাযাত্রায় মিষ্টি ও জলের বোতল বাড়িয়ে দিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। হল কোলাকুলি, একে অপরের মিষ্টিমুখও।
সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রামনবমীর উৎসবে। প্রতিবছরের মতো এবারও মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড় ও রাজ হোটেল এলাকায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিছিল বের হয়। সেখানে অংশগ্রহণ করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। রামনবমীর শোভাযাত্রা এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করতে দেখা যায় তাঁদের। সম্প্রীতির ঐতিহ্য মেনেই রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য জল এবং মিষ্টির ব্যবস্থা করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

ডিজে বাজিয়ে গেরুয়া ধ্বজা নিয়ে জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলে মিছিল হচ্ছিল মালদহ শহরে। ভারতবর্ষের মানচিত্রের আকারে বিশালাকার মালা তৈরি করা হয় এদিন। ফোয়ারা মোড়ে মালদহ শহর মুসলিম কমিটির তরফে রামনবমীর শোভাযাত্রায় জল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ান দুই ধর্মাবলম্বী মানুষেরা। মুসলিম কমিটির ব্যানারে লেখা ছিল "ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আমরা"। শোভাযাত্রার উপর ফুল ছড়িয়ে দেন মুসলিমরা। হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই বার্তা ছড়িয়ে দেন সকলে।
দলাদলি সরিয়ে রেখে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রামনবমীর মিছিলে মিষ্টি জল বিতরণ তৃণমূলের। সম্প্রীতির ছবি ধরা পড়ল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরেও। রামনবমীর মিছিলে মিষ্টি বিলি করলেন তৃণমূল নেতা কানাইয়ালাল আগারওয়াল। জয় শ্রীরাম লেখা উত্তরীয় পরেন তৃণমূল নেতা। তার সঙ্গে ছিলেন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি জাকির ইসলাম। কানাইলালবাবু জানান, এটা গোটা দেশের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম শোভাযাত্রা। তাই জাতি, দল, ধর্ম নির্বিশেষে পালন করা হয়।
অন্যদিকে, জেলা পেরিয়ে শহর কলকাতাতেও দেখা গেল সম্প্রীতির অনন্য ছবি। ঠনঠনিয়ায় হিন্দুদের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিয়ে রামনবমীর মিছিল কুণাল ঘোষের। সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা তৃণমূল নেতার। মাথায় ছিল গাঢ় গোলাপী রঙের পাগড়ি ও গলায় ওড়না। ঠনঠনিয়া থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মিছিল করেন তৃণমূল নেতা। সেখানে যোগ দেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা। কুণাল এদিন বলেন, "ইদের দিন শিমুই খেতে গেছি। আজকে রামনবমীর শোভাযাত্রায় মুসলিমরা সামিল হয়েছেন। যার যার ধর্মীয় আচরণ তারা পালন করছেন।"












Click it and Unblock the Notifications