দক্ষিণবঙ্গে ‘ঠান্ডার দাপট'! কলকাতায় ফের নামল পারদ, শীতলতম তালিকায় কোন শহর? জানুন
গভীর রাতেই হাওয়া বদলেছিল। ভোরে তার প্রমাণ মিলল স্পষ্ট, দক্ষিণবঙ্গের মাটিতে মেখে গেল কুয়াশার দুধসাদা চাদর। শহরের ছাদে, গ্যালারিতে জলবিন্দুরা কাঁপতে কাঁপতে বলল, "শীত এ বার সত্যিই নামল।"
শনিবার কলকাতার পারদ থামল ১১.৫ ডিগ্রিতে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশ খানিকটা কম। উত্তরের দিক থেকে ঢোকা ঠান্ডা হাওয়ার এ এক নিঃশব্দ অভিযান! না বৃষ্টি, না মেঘ শুধুই শুকনো ঠান্ডা আর কুয়াশার দাপট। কয়েক দিন এমনই থাকবে বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

সকালবেলা শহর থেকে জেলা যেদিকেই চোখ যায়, অনায়াসে মিলছে মেঘের মতো গাঢ় কুয়াশা। দৃশ্যমানতা কোথাও কমে ২০০ মিটারের ঘরে, আবার উত্তরবঙ্গে আরও ভয়াবহ দার্জিলিং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ির পথে প্রায় ৫০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে দৃষ্টি।
দার্জিলিং তার খ্যাতি বজায় রেখেছে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীক্ষ্ণ শীত। কিন্তু এবার বিস্ময় ঘটাল দক্ষিণবঙ্গ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তালিকায় দার্জিলিঙের পরেই জায়গা নিল বীরভূমের শ্রীনিকেতন ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস!
কল্যাণী, বাঁকুড়া, সিউড়ি, আসানসোল, বহরমপুর দশের নিচে একের পর এক পারদ নামার সঙ্গী।
সমুদ্রের উপর ধীরে ধীরে উত্তাল হয়ে উঠছে একটি গভীর নিম্নচাপ। তার গন্তব্য শ্রীলঙ্কা। পশ্চিমবঙ্গে তার কোনও সরাসরি প্রভাব নেই। তাই ঠান্ডা শ্বাস এখনও নিরাপদ, বৃষ্টি এসে এটিকে নষ্ট করবে না খুব তাড়াতাড়ি।
আবহাওয়া দপ্তর বলছে আরও কয়েক দিন শীতের দাপট কমার সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থেকে যাবে। রাত মানেই জড়ো হওয়া, কাঁথা, চা আর শীতের গল্পগুজব। শহরের কুয়াশা হয়তো দুপুর পর্যন্ত আটকে দেবে সূর্যের আলো।












Click it and Unblock the Notifications