CEO দফতরে ধুন্ধুমার! BLO-দের উপর লাঠিচার্চ পুলিশের, কী দাবি বিক্ষোভকারীদের?
আবারও উত্তপ্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশন দফতরের চত্বর। কাজের চাপের জন্য প্রতিবাদে সিইও দফতরের সামনে তুমুল বিক্ষোভে তৃণমূলপন্থী একাংশ BLO-রা সামিল হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি বেধে যায়। একাধিকবার ব্যারিকেড ঠেলে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। ফলে বেশ কিছুক্ষণ চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।

বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন যে, অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে তাঁরা নাজেহাল হয়ে পড়েছেন। দিনের পর দিন চাপ বাড়ার পরেও সেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার কোনও সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই তাঁরা সরাসরি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে চান এবং নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে চান। কিন্তু অভিযোগ যে, দফতরের সামনে পৌঁছনোর আগেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়।
বিক্ষোভের জায়গা থেকেই নিজেদের রাগ উগরে দেন এক বিএলও। তাঁর বক্তব্য যে, "আমরা শুধুমাত্র আমাদের সমস্যার কথাটাই জানাতে এসেছি। কিন্তু আমাদের বারবার আটকানো হচ্ছে কেন? আমাদের থামানো হচ্ছে কেন? আমরা কী কোনও অপরাধ করেছি? আমরা কী ক্রিমিনাল? আমাদের কথা কেন একবারও শোনা হচ্ছে না? ব্যারিকেড দিয়ে এইভাবে আটকে রাখার মানে কী?" এই ধরণের প্রশ্নই তুলেছেন আরও অনেক বিক্ষোভকারী।
BLO-দের অভিযোগ যে, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু করে নানা প্রশাসনিক দায়িত্ব পর্যন্ত সমস্তটা মিলিয়ে কাজের পরিমাণ ধীরে ধীরে ক্রমশ বেড়ে চলেছে। কিন্তু সেই তুলনায় কোনও সাহায্য বা স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বারবার বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার কোনও সমাধান হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই তাঁদের পথে নামতে হয়েছে।
অন্যদিকে আবার, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে সিইও দফতরের চত্বর। যদিও বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি যতক্ষন না পর্যন্ত মানা হবে ঠিক ততক্ষন পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
বিক্ষোভকারীদের একটাই দাবি, তাঁদের কথা শুনতে হবে, কাজের চাপ কমাতে হবে ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ দিতে হবে। এখন এটাই দেখার যে, প্রশাসন এই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নেয়।












Click it and Unblock the Notifications